তিনি গতবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। ট্রফি হাতে তুলেই অবসর ঘোষণা করেছিলেন টি-টোয়েন্টি থেকে। তাই দেশের মাটিতে চ্যাম্পিয়নের তকমা ধরে রাখার লড়াইয়ে তিনি সরাসরি নেই। যদিও সূর্যকুমার যাদবের ভারতীয় দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের 'মন্ত্র' দিয়ে দিলেন তিনি।
তিনি, অর্থাৎ রোহিত গুরুনাথ শর্মা (Rohit Sharma)। ভারত যে দু'বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে, দু'বারই দলের অংশ ছিলেন 'হিটম্যান'। শুধু ব্যাটার হিসাবে নয়, এই ফরম্যাটের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসাবে গণ্য করা হয় তাঁকে। সেই রোহিত এক অনুষ্ঠানে মুখ খুলেছেন দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে। বলে দিয়েছেন, "ভারতের ক্রিকেটীয় ঐতিহ্য নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ফলে আমাদের প্রধান কাজ হবে মাঠে নেমে নিজের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করা। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
উত্তরসূরিদের প্রতি রোহিতের বার্তা, "বাইরের কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই। নিজের চারপাশে একটা অন্য পৃথিবী তৈরি করে ফেলো। যেখানে তুমি একা থাকবে। কোনও সমালোচক বা অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না সেই পৃথিবীতে। একটা মাসের তো কথা। এই ক'টা দিন নিজের মতো করে আলাদা থাক।" এক্ষেত্রে বছর দু'য়েক আগে দেশের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। "বিশ্বকাপে খেলার সময় বেশ ভয়ে ছিলাম। দেশের মাটিতে খেলা, এদিক-ওদিক যেতে হবে। হয়তো কোনও ম্যাচ হারার পর বিমানবন্দরে কেউ কিছু বলে দিল দলকে! মাঝে তো এমনও ভেবেছিলাম, দলের সবাইকে বলব সোশাল মিডিয়া বন্ধ করে দাও।"
দশ বছর পর দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে ভারত। সেখানে দলের দুই তারকা স্পিনার কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে একসঙ্গে খেলানো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একাধিক স্পিনার-অলরাউন্ডার থাকায় আদৌ প্রথম দলে দু'জন স্পেশালিস্ট স্পিনারকে খেলানো হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে তা নিয়েও দাওয়াই দিয়েছেন রোহিত। "ওদের একসঙ্গে খেলানোটা তো চ্যালেঞ্জ অবশ্যই”, বলে দিয়েছেন বিশ্বজয়ী ভারত অধিনায়ক, "তবে যদি খেলাতেই হয়, তবে দু'জন পেসারকে প্রথম একাদশে রাখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ওদের জুটি তৈরি করা যাবে।" কুলদীপ যেভাবে প্রায় প্রতি বলে রিভিউর জন্য আবেদন করেন, তা নিয়ে রসিকতা করতেও ছাড়েননি রোহিত। তাঁর কথায়, "ওকে দেওয়ার মতো কোনও পরামর্শ নেই। একটা কথাই বলব, চুপচাপ বল কর। তারপর বোলিং মার্কে ফিরে যা। সব বলে আউটের আবেদন করা যায় না।"
