ইন্দোরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষের কিছুক্ষণ পরের কথা। টিম হোটেলে ঢুকছেন রোহিত শর্মা। হঠাৎ নিরাপত্তাকর্মীদের টপকে এক মহিলা চলে আসেন হিটম্যানের সামনে। এমনকী তাঁর হাত ধরে টানও দেন। আচমকা এই ঘটনায় চমকে যান সকলেই। কিন্তু কেন এরকম কাণ্ড ঘটালেন ওই মহিলা? অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। কোনও সেলফির লোভে নয়, বরং নিজের সন্তানকে বাঁচানোর জন্যই তিনি এরকম কাজ করেছেন বলে জানান।
রবিবার ছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ম্যাচ। ম্যাচের পরই সেই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে। রোহিতের হাত টেনে ওই মহিলা চিৎকার করতে থাকেন, 'হেল্প হেল্প।' ঘটনার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে প্লেয়ারদের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার ভক্তদের মাঠে ঢোকার ঘটনা ঘটেছে।
তবে ওই মহিলার দাবি, তিনি সেরকম কোনও উদ্দেশে রোহিতের হাত টানেননি। একটি ভিডিও করে জানান, তাঁর নাম সারিতা শর্মা। তাঁর দাবি, মেয়ের চিকিৎসার জন্য রোহিতের সাহায্য চাইতে গিয়েছিলেন। কোলে একটি মেয়েকে নিয়ে তিনি বলেন, "আমার মেয়ে আনিকার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওর জীবন বাঁচানোর জন্য ৯ কোটি টাকার ইনজেকশন দরকার। আমেরিকা থেকে সেই ইনজেকশন আনার কথা। আমরা অনেকের সাহায্য চেয়ে ৪ কোটি ১০ লক্ষ টাকা জোগাড় করতে পেরেছি। কিন্তু সময় কমে আসছে।"
সারিকা আরও বলেন, "আমি চেষ্টা করেছিলাম রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির কাছে যেতে। সেলফি তুলতে যাইনি। তাঁদের থেকে আমার সন্তানের জন্য সাহায্য চেয়েছিলাম। আবেগের বশে রোহিত স্যরের হাত টেনে ধরি। আমি এই আচরণের জন্য ক্ষমা চাই। কিন্তু আমার আসল উদ্দেশ্য নিজের সন্তানকে বাঁচানো।" তবে ওই মহিলার বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
