প্রথম ম্যাচে খেলায়নি। তারপর তিন ম্যাচ খেলাল। রান পেল না। তারপর আবার বসিয়ে দিল। বৈভব সূর্যবংশীকে (Vaibhav Sooryavanshi) নিয়ে ঠিক কী ভাবছে টিম ইন্ডিয়া? দল থেকে বাদ পড়তেই ফুঁপিয়ে কান্না ১৫ বছর বয়সি ব্যাটারের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে কেন বৈভবকে খেলানো হল না? সেটা কি গত তিন ম্যাচের হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য? না, তা নয়। তাহলে ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটারের উপর কেন ভরসা রাখতে পারল না টিম ইন্ডিয়া? ম্যাচ হারের পর সেই নিয়ে মুখ খুললেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার।
আইপিএলে ঝড় তুলেছিল বৈভব। তবে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক হয়নি। ইংল্যান্ডে সুযোগ পায়। যদিও তিন ম্যাচে রান পায়নি। রান সংখ্যা যথাক্রমে ১৫, ১৩, ১৪। শেষ পর্যন্ত পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে তাকে বসিয়ে দেওয়া হয়। ফের দলে আনা হয় সঞ্জু স্যামসনকে। যিনি আবার আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচে রান পাননি। এদিকে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল বৈভবের কান্নার ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, সে খুব চেষ্টা করছে কান্না চাপার। কিন্তু চোয়াল চেপেও যন্ত্রণা লুকিয়ে রাখতে পারেনি।
কেন আচমকা এই বদল? শ্রেয়স বলছেন, "এই পরিস্থিতিতে খেলার জন্য আমাদের সেরা কম্বিনেশন খুঁজে দেখতে হবে। আমরা অভিষেকের সঙ্গে একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে ওপেন করাতে চেয়েছিলাম। শুধু এই ম্যাচের জন্য আলাদা কম্বিনেশন চাইছিলাম। আর সঞ্জু দুর্দান্ত ব্যাটার। আগে আমাদের অনেক সিরিজ জিতিয়েছে।" তা সেটা সিরিজ হারার পর কেন মনে পড়ল? কিংবা পরে জিম্বাবোয়ে সিরিজেই বা কেন সঞ্জুকে রাখা হল না?
পর পর দুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হোয়াইটওয়াশ, শেষ ৭ ম্যাচের ৬টিতেই ম্যাচে হার! বরুণ দেবতা সহায় না থাকলে যেটা কিনা সাতে সাত হতে পারত! ভারতীয় ক্রিকেটে হচ্ছে টা কী! বোলিং-ব্যাটিং, দুই বিভাগই ব্যর্থ। এহেন ব্যর্থতার পর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার বলছেন, “আমরা শিক্ষা নিচ্ছি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কীভাবে খেলতে হয়। কী ভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে মানাতে হয় তা শিখলাম। পেশাদার ক্রিকেটার হিসাবে আরও দ্রুত শিক্ষা নিতে হবে।”
