মাত্র চারমাস আগে তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছে দেশ। কিন্তু সেই সূর্যকুমার যাদবকে (Suryakumar Yadav) ছেঁটে ফেলে আগামী দিনের টি-২০ স্কোয়াড গড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক করা হয় শ্রেয়স আইয়ারকে। কিন্তু টানা দুই সিরিজে চুনকাম হয়েছে মেন ইন ব্লু। এহেন দুর্দশা সামাল দিতে আবার সূর্যর দ্বারস্থ হতে পারে বোর্ড, এমনটাই সূত্রের খবর।
পরিসংখ্যান বলছে, টি-২০তে পর পর দুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হোয়াইটওয়াশ ভারত, শেষ ৭ ম্যাচের ৬টিতেই ম্যাচে হার! বরুণ দেবতা সহায় না থাকলে যেটা কিনা সাতে সাত হতে পারত! ২০০৯ বিশ্বকাপ, ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ছাড়া ভারত কখনও এক টুর্নামেন্ট বা এক সিরিজে চারটি টি-২০ হারেনি। সাদা বলের ক্রিকেটে ২০১৩-১৪ সালের পর কোনও ভারতীয় দল পাঁচ ম্যাচের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ হয়নি। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে টানা সাত ম্যাচ জয়হীন শ্রেয়স স্বয়ং।
স্বভাবতই গেল গেল রব উঠেছে ঈশান কিষানদের নিয়ে। ক্রিকেটপ্রেমীদের ভাবনা আরও বাড়াচ্ছে অধিনায়কের মানসিকতা। লাগাতার ব্যর্থতার পর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার বলছেন, “আমরা শিক্ষা নিচ্ছি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কীভাবে খেলতে হয়। কী ভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে মানাতে হয় তা শিখলাম। পেশাদার ক্রিকেটার হিসাবে আরও দ্রুত শিক্ষা নিতে হবে।” টানা সাত ম্যাচ ধরে যদি শিক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি চলে, তাহলে ক্রিকেটপ্রেমীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য।
মেন ইন ব্লুকে এহেন দুর্দশা থেকে উদ্ধার করতে কি স্কাইকে আবার একটা সুযোগ দেওয়া হবে? সেই সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। বিসিসিআই মনে করছে, জাতীয় দলে আবারও জায়গা করে নিতে পারেন সূর্যকুমার। আপাতত তিনি নীল নকশায় নেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে জাতীয় দলের দরজা তাঁর জন্য বন্ধ। যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করতে পারেন, রান করতে পারেন তাহলে কামব্যাক হতেই পারে। কিন্তু দলে ফিরলেও অধিনায়কত্ব পাবেন কি? স্রেফ ব্যাটার হিসাবে দীর্ঘদিন ধরেই সূর্যর ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন ছিল। অভাবনীয় কাণ্ড ঘটিয়ে তিনি কি পারবেন ভারতীয় দলের হাল ফেরাতে?
