সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানকে প্রথম ম্যাচে হারানোর পর তাঁর মুখে ছিল পহেলগাঁও জঙ্গিহানার কথা। শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানায়া মৃতদের উৎসর্গ করেছিলেন জয়। সে নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। আইসিসি রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য তাঁকে সতর্কও করে। কিন্তু ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দমার পাত্র নন। ফাইনাল জেতার পরও তাঁর মুখে ভারতীয় সেনার কথা শোনা গেল।
ভারত অধিনায়ক বলে গেলেন, "হয়তো আবার বিতর্ক হবে। অবশ্য বিতর্কের কিছু নেই। এটা আমার তরফে একটা সম্মান। আমি ব্যক্তিগতভাবে এশিয়া কাপের সব ম্যাচের ম্যাচ ফি ভারতীয় সেনাকে উৎসর্গ করতে চাই। এটাই সেনার প্রতি আমার সম্মান।" এটা বলার সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে আসা অভিষেক শর্মা এবং সূর্য নিজেও উঠে দাঁড়িয়ে সেনাকে সম্মান জানান। এই সেনা নিয়ে মন্তব্য করায় ইতিমধ্যেই একবার বিতর্কে জড়িয়েছেন ভারত অধিনায়ক। তবে তাতে দমলেন না তিনি।
এখানেই শেষ নয়, ট্রফি না পাওয়া নিয়েও রীতিমতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ করলেন এসিসি সভাপতিকে। “চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি দেওয়া হল না। আমার এতদিনের ক্রিকেট কেরিয়ারে কোনওদিন দেখিনি। একটা চ্যাম্পিয়ন টিমকে ট্রফি দেওয়া হচ্ছে না! ভাবা যায়।” আক্ষেপের সুরে বলছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তারপরই তাঁর সংযোজন, “আমার ট্রফি ড্রেসিংরুমে রয়েছে। যে ১৫ জন আমরা খেলছি, আমাদের সাপোর্ট স্টাফ সবাই আমার ট্রফি। ওদের জন্যই আমরা জিতেছি। কিন্তু একজন জয়ী অধিনায়ক ট্রফি পাচ্ছে না, এটা সত্যিই অবাক করার মতো।”
ভারতীয় বোর্ডের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান হলেও পাক বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা সেদেশের মন্ত্রী নকভির হাত থেকে ট্রফি নেবে না টিম ইন্ডিয়া। নকভি অবশ্য এদিন পুরস্কার বিতরণী মঞ্চ ‘আলো’ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অদ্ভুতভাবে নকভির বদলে আর কোনও এসিসি কর্তাকে দিয়ে ট্রফি দেওয়ার কথা ভাবাই হল না। ট্রফি না পেয়ে সূর্যকুমাররা ট্রফি ছাড়াই সেলিব্রেট করলেন সেভাবে, যেমনটা রোহিত শর্মা করেছিলেন ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে। যদিও হাতে ট্রফি ছিল না। এখানেই শেষ নয়, পরে তিলক বর্মা, অভিষেক শর্মাদের সঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় ট্রফির ছবি ফটোশপ করে বসিয়ে পোস্ট সূর্যকুমার যাদব। সেটাও আসলে এসিসিকে তোপ দাগা।
