shono
Advertisement

Breaking News

Mohammad Siraj

ইউরোপে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করছিলেন, সূর্যের ফোন পেয়েই সটান বিশ্বকাপে সিরাজ

কাকতালীয়ভাবে, হঠাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ডাক পাওয়ার আগে নাকি সেই টেনিস বলেই ম্যাচ খেলছিলেন সিরাজ! শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ম্যাচে দুরন্ত বল করেছেন তারকা পেসার।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 02:00 PM Feb 09, 2026Updated: 07:56 PM Feb 09, 2026

টেনিস বলের সঙ্গে মহম্মদ সিরাজের (Mohammad Siraj) সম্পর্কটা বেশ পুরনো। একটা সময় চুটিয়ে স্থানীয় ক্লাবের হয়ে টেনিস বলের টুর্নামেন্ট খেলতেন। সেসব খেলেই আরও বড় ক্যানভাসে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন সিরাজ। প্রথমে রাজ্য দলে ডাক পান। তারপর উঠে আসেন আইপিএলের মঞ্চে। সেখানে ধারাবাহিকতা দেখানোর সুবাদে গর্বের নীল জার্সিও গায়ে ওঠে এই হায়দরাবাদি পেসারের। 

Advertisement

কাকতালীয়ভাবে, হঠাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ডাক পাওয়ার আগে নাকি সেই টেনিস বলেই ম্যাচ খেলছিলেন সিরাজ! শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ম্যাচে দুরন্ত বল করেছেন তারকা পেসার। তারপর জানিয়েছেন, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচ দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। হঠাৎ করেই ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ফোন করেন তাঁকে। চোট পাওয়া হর্ষিত রানার বদলি হিসাবে কাপ-স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার কথা জানান। সূর্যের যে বার্তা প্রথমে রসিকতা বলে উড়িয়ে দিচ্ছিলেন সিরাজ। তারপর দ্রুত চলে আসেন মুম্বইয়ে, দলে যোগ দেওয়ার জন্য। হায়দরাবাদে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কোনও ম্যাচ না থাকায় এ সময় টেনিস বলে ক্রিকেট খেলতে ব্যস্ত ছিলেন সিরাজ। তবে কোনও টুর্নামেন্ট নয়। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে হালকা মেজাজে ম্যাচ খেলছিলেন তিনি। সেসবের মাঝেই তাঁকে বিশ্বকাপ দলে ডাকেন ভারত অধিনায়ক।

তিনি রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচ দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। হঠাৎ করেই ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ফোন করেন তাঁকে। চোট পাওয়া হর্ষিত রানার বদলি হিসাবে কাপ-স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার কথা জানান। সূর্যের যে বার্তা প্রথমে রসিকতা বলে উড়িয়ে দিচ্ছিলেন সিরাজ।

এমনিতে বন্ধুদের সঙ্গে বোলার নয়, সিরাজ খেলেন ওপেনিং ব্যাটার হিসাবে। যেভাবে আর পাঁচজন শখের ক্রিকেট খেলোয়াড় নেমে পড়েন বাইশ গজে। “সিরাজ এখনও নিজের অতীত ভোলেনি। তাই হায়দরাবাদ এসে সুযোগ পেলেই পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে নেমে পড়ে। সেখানে ও শুধু ব্যাটিং করে, বোলিং নয়। রনজি ট্রফির পর আর কোনও ম্যাচ ছিল না”, রাজ্য দলে সিরাজের এক সতীর্থ বলছিলেন, “এরপর ওর খেলার কথা ছিল আইপিএলে। তাই ও ইউরোপে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সবকিছু ঠিক থাকলে দু’একদিনের মধ্যে চলেও যেত। তার আগে বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিল।” সূর্যর ফোন পাওয়ার পর বদলে যায় সিরাজের পুরো পরিকল্পনাই। প্রথমে চলে আসেন জাতীয় দলে। তারপর জশপ্রীত বুমরাহর অসুস্থতার জেরে ঢুকে পড়েন প্রথম একাদশেও। বাকিটা শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় দেখেছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব।

বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না মেলায় হায়দরাবাদের হয়ে রনজির শেষ দু’রাউন্ডে খেলেছেন সিরাজ। প্রতিটা ম্যাচে নিজের একশো শতাংশ তিনি দিয়েছেন। হায়দরাবাদ ক্রিকেটের এক কর্তাও মনে করছেন, মন দিয়ে রনজি খেলার ফলেই হঠাৎ করে জাতীয় দলে ফিরেও সমস্যায় পড়েননি সিরাজ। বরং তিনি দাপট দেখিয়েছেন চেনা ছন্দেই। বুঝিয়ে দিয়েছেন, ফরম্যাট যাই হোক না কেন, ভারতীয় পেস বোলিং অ্যাটাকে তিনিই নিজাম।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement