প্রথমবার রনজি ট্রফির সেমিফাইনালে পৌঁছল জম্মু ও কাশ্মীর। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৫৬ রানে জয়ের পর ইতিহাস গড়েছে তারা। দুর্ধর্ষ পেস বোলিংয়ে বাহবা কুড়িয়েছেন আকিব নবি। অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে কেএল রাহুলের দাপুটে সেঞ্চুরির সৌজন্যে মুম্বইকে তাদের ঘরের মাঠে ৪ উইকেটে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছেছে কর্নাটক।
আইপিএলের মিনি নিলামের অনেক আগে থেকেই চর্চায় ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার আকিব নবি দার। ঘরোয়া মরশুমে অসাধারণ ছন্দে রয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এই পেসার। তাঁকে ৮.৪০ কোটি টাকায় কিনে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এরপর থেকেই আরও বেশি করে নজরে নবি। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে গোটা ম্যাচে কাশ্মীরি পেসারের নামের পাশে ১১০ রানে ১২ উইকেট।
প্রথমে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৯৪ রানে গুটিয়ে যায় জম্মু-কাশ্মীর। শুভম খাজুরিয়া (৬০) ও পরশ ডোগরা (৩৩) ছাড়া আর কেউই রান পাননি। মধ্যপ্রদেশের হয়ে কুলদীপ সেন নেন ৫ উইকেট। জবাবে আকিবের (৪০/৭) বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে মধ্যপ্রদেশ। ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় তারা। ৪২ রানের লিড নিয়ে শুরু করা জম্মু-কাশ্মীরের দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ হয় ২৪৮ রানে। ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মধ্যপ্রদেশ অলআউট ২৩৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন আকিব।
গত মরশুমের রনজি ট্রফিতে আকিব পেয়েছিলেন ৪৪ উইকেট। তিনিই ছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটপ্রাপক। চলতি মরশুমেও জম্মু-কাশ্মীরের পেস বোলিং ইউনিটকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ৪৬টি উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তিনি। ৫২ উইকেট নিয়ে প্রথম স্থানে উত্তরাখণ্ডের ময়াঙ্ক মিশ্র। ২০২৪-২৫ মরশুমের পর থেকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৯৭টি উইকেট পেয়েছেন। অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে মুম্বইকে তাদের ঘরের মাঠে ৪ উইকেটে হারায় কর্নাটক। মুম্বইয়ের দেওয়া ৩২৫ রানের লক্ষ্য ৬ উইকেটেই পূরণ করে কেএল রাহুলের দল। ওপেন নেমে ১৩০ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস উপহার দিয়েছেন রাহুল। ব্যর্থ হয়েছেন মুম্বই তারকা যশস্বী জয়সওয়াল। দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর রান ৪১ (৩৬+৫)। ১৫ ফেব্রুয়ারি উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম সেমিফাইনালে নামবে কর্নাটক।
