ফের পাকিস্তানের তুলোধোনায় সুনীল গাভাসকর। ভারতের বিরুদ্ধে খেলব না খেলব না করে যেভাবে নাটক করছে পাকিস্তান, তাতে চটে লাল সানি। ভবিষ্যতে যাতে এমন পরিস্থিতি না হয়, সেই ব্যাপারে আইসিসিকে পরামর্শ দিয়েছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাছাড়াও দুই দেশের মধ্যে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ভারসাম্যহীনতাকে তুলে ধরেছেন। সাফ জানিয়েছেন, ভারতই সব সময় সাহায্যের হাত বাড়ায়।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে গাভাসকর বলেন, "২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হয়েছিল। সেই সময় পাকিস্তানি ক্রিকেটার ছিল। সেই সময় প্রায় প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই একজন পাকিস্তানি ছিল। এমনকী পাকিস্তানি ধারাভাষ্যকারও ছিল। ওরা সব সময় চায়, ভারত ওদের আমন্ত্রণ জানাক। কিন্তু বিনিময়ে ওদের কাছ থেকে সেই সামান্য সৌজন্য পাইনি আমরা। এমনকী আজকের মতো পরিস্থিতির আগেও বিষয়টা প্রায় একই রকম ছিল।"
সানির সংযোজন, "আমাদের কতজন গায়ক, কতজন চলচ্চিত্র তারকাকে পাকিস্তানি ছবিতে অভিনয়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়? আমরাই কিন্তু প্রথম পদক্ষেপ নিই। সব সময় এগিয়ে আসি। আমরাই সব সময় বন্ধুত্বের হাত কেন বাড়াই? আমরা কিন্তু কখনও ওদের পিছনে লাগি না। আমরা কেবল নিজেদের কাজে মন দিই।" ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারতের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ‘প্রতিবাদ’ এটা। তবে আইসিসি থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘বেছে বেছে প্রতিপক্ষ ঠিক করে নেওয়াটা সেই ক্রিকেটীয় আদর্শের বিরোধী।’
গাভাসকর বলছেন, "এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিক আইসিসি। এরপর থেকে স্বাভাবিকভাবে টুর্নামেন্টের ড্র করা উচিত। ভারত-পাকিস্তানকে এক গ্রুপে রাখার প্রচেষ্টা ঠিক নয়। ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারত-পাক মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু সেটা হয়নি। দুই দল আলাদা গ্রুপে ছিল। শুরুতেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। তারপর থেকে আইসিসি ভারত-পাকিস্তানকে এক গ্রুপে রাখার চেষ্টা করা হয়।"
