ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮২-৫ (হেটমেয়ার ৬৪, কিং ৩৫)
স্কটল্যান্ড: ১৪৭ (বেরিংটন ৪২, ব্রুস ৩৫, শেফার্ড ৫-২০)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫ রানে জয়ী।
সম্ভাবনা ছিল। শুরুটাও ভালো হয়েছিল। একটা সময় মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের বদলি হিসাবে বিশ্বকাপে নাম লেখানো স্কটল্যান্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেললেও ফেলে দিতে পারে। কিন্তু সব অঙ্ক বদলে দিলেন রোমারিও শেফার্ড নামের এক ভদ্রলোক। ক্যারিবিয়ান ওই অলরাউন্ডার একাই স্কটিশদের যাবতীয় সম্ভাবনাকে স্রেফ দুরমুশ করে দিলেন। এক ওভারে হ্যাটট্রিক-সহ চার উইকেট তুলে নিয়ে সম্ভাবনাময় ম্যাচকে একপেশে করে দিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড জিতল ৩৫ রানে।
এদিন ইডেনে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় স্কটল্যান্ড। ইডেনের স্পোর্টিং উইকেটে প্রথমে ব্যাট করে ক্যারিবিয়ানরা তোলে ৫ উইকেটে ১৮২ রান। শিমরন হেটমেয়ার মাত্র ৩৬ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। শেষদিকে ১৩ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেন সেরফান রাদারফোর্ডও। রভম্যান পাওয়েল ১৪ বলে করেন ২৪ রান।
১৮৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা। ইডেনের এই পিচে কাজটা মোটেই অসাধ্য ছিল না। কিন্তু সেই টার্গেট নিয়ে খেলতে নেমে শুরুটা বিশ্রী হয় স্কটিশদের। ষষ্ট ওভারে মাত্র ৩৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট চলে যায় তাদের। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান স্কটিশ অধিনায়ক বেরিংটন এবং টম ব্রুস। তাঁরা জুটি বেঁধে স্কটিশদের লড়াইয়ে ফেরান। ৭৮ রানের সেই জুটির লড়াই দেখে মনে হচ্ছিল হয়তো এবার স্কটিশরা লড়াইয়ে ফিরছে। কিন্তু অধিনায়ক বেরিংটনের উইকেট পড়তেই শুরু হয় ভাঙন। ম্যাচের ১৫তম ওভারে এসে হ্যাটট্রিক-সহ চার উইকেট তুলে নেন শেফার্ড। পরপর তাঁর শিকার হন ম্যাথু ক্রস, মিকেল লিস্ক এবং অলিভার ডেভিডসন। সেই ওভারেই আউট হন সেফিয়ান শরিফ। সব মিলিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন শেফার্ড। তাঁর ওই স্পেলেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় স্কটিশদের জয়ের সব আশা। তাদের ইনিংস শেষ হয় ১৪৭ রানে। ৩৫ রানে জয়ী হয় ক্যারিবিয়ানরা।
বস্তুত এবারের বিশ্বকাপে খেলার কথাই ছিল না স্কটল্যান্ডের। শেষ মুহূর্তে সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচে তারা যে পারফরম্যান্স দিল সেটা একেবারে ফেলনা নয়। নেহাত শেফার্ডের ওই হ্যাটট্রিকটা না হলে ছবিটা অন্যরকম হতেই পারত।
