অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ১৭৫ রানের ইনিংস! এক ইনিংসেই ১৫টি ছক্কা। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান স্কোরার সে। ফাইনালে ম্যাচের সেরা, টুর্নামেন্টের সেরা। আইপিএলেও একের পর এক নজির তার নামের পাশে। গতবছর আইপিএল নিলাম থেকেই বিহারের বৈভবের রেকর্ড গড়ার যাত্রা শুরু। কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে আইপিএল নিলামে দল পেয়েছিল সে। আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম শতরান এখনও তার নামের পাশে।
চোদ্দর কিশোরের ব্যাটিং বৈভব দেখে ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই মনে করছেন এবার হয়তো তাকে জাতীয় দলে ডেকে নেওয়ার সময় এসেছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগেই অনেকে দাবি করছিলেন, এই বিশ্বকাপেই তাকে দলে রাখা উচিত। কিন্তু বিশ্বকাপ বা অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলা বৈভবের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে আইসিসির নিয়ম।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, সিনিয়র দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গেলে ন্যূনতম ১৫ বছর বয়স হতে হয়। তার আগে সিনিয়র দলে খেলার অনুমতি দেওয়া হয় না ক্রিকেটারদের। আপাতত বৈভবের বয়স ১৪ বছরের কিছু বেশি। আগামী ২৬ মার্চ সে ১৫ বছর পূর্ণ করবে। অর্থাৎ মার্চের আগে চাইলেও বিসিসিআই বৈভবকে জাতীয় দলে খেলাতে পারবে না। আইসিসির নিয়মে অবশ্য একটি ব্যতিক্রমও রয়েছে। বলা হয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সি কোনও ক্রিকেটারের যদি খেলার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা, পরিণত মানসিকতা এবং শারীরিক প্রস্তুতি থাকে, তাহলে ওই ক্রিকেটারকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে আইসিসির কাছে চিঠি লিখতে হবে বিসিসিআইকে। আইসিসির অনুমতি পেলে মাঠে নামতেই পারে বিহারের বিস্ময় বালক।
অবশ্য অত ঝক্কির আর প্রয়োজন পড়বে না। বিশ্বকাপ দলে বৈভবকে রাখা হয়নি। আর এ বছর ২৭ মার্চের পর তার বয়স হবে ১৫ বছর। তারপর আর জাতীয় দলের জার্সিতে তার খেলায় কোনও বাধা থাকবে না। অর্থাৎ বিশ্বকাপের পরই বিসিসিআই চাইলে বৈভবকে জাতীয় দলে ডেকে নিতে পারে।
