বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গিয়েছে ১০ দিন আগে। কিন্তু এখনও দেশে ফিরতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। এখনও কলকাতাতেই আটকে ড্যারেন স্যামিরা। মঙ্গলবার দেশে ফেরার বিমান থাকলেও তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়েছে। অতএব উপায়? ক্যারিবিয়ান প্লেয়াররা এখন ব্যক্তিগত উদ্যোগেই দেশে ফেরার কথা ভাবছেন।
দিন দশেক ধরে ইরানের উপর যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ। যে কারণে ভারতে আটকে পড়েছেন বিশ্বকাপ খেলতে আসা ক্রিকেটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলে ইডেনে। ভারতের কাছে সেই ম্যাচ হারের পর থেকে কলকাতাতেই আটকে রয়েছেন শিমরন হেটমায়াররা।
তবে সোমবার আশার আলো দেখা গিয়েছিল। জানা যায়, সোমবার রাতে কলকাতা ছেড়ে নিজের দেশের উদ্দেশে রওনা দেবেন ক্যারিবিয়ান কোচ ড্যারেন স্যামি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বাকি ক্রিকেটাররা মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন। কিন্তু না। সেটা মঙ্গলবারও হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, তাঁদের দেশে ফেরার বিমান বাতিল হয়েছে। ফলে গোটা দলকে আপাতত কলকাতাতেই থাকতে হচ্ছে। ক্যারিবিয়ান প্লেয়াররা এবার নিজস্ব উদ্যোগে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন। দেশে না ফিরতে পেরে এমনিতেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা। সোশাল মিডিয়ায় বারবার নিজেদের উদ্বেগ জানিয়েছেন তাঁরা।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গত শনিবার আকাশপথ আংশিকভাবে খোলার পর সবার আগে ভারত থেকে লন্ডনের বিমান পেয়েছে ইংল্যান্ড। যা নিয়ে আবার বিতর্কও হয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ফের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, 'ইংল্যান্ড বৃহস্পতিবার ছিটকে গিয়ে শনিবার দেশে ফিরল। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা আগে বিদায় নিলেও এখনও কলকাতায় আটকে। ক্ষমতার অপব্যবহার এটাকেই বলে। এই পরিস্থিতিতে সব দলকেই সমান চোখে দেখা উচিৎ। কোনও দেশের বোর্ড বেশি ক্ষমতাশালী, সেটা বিচার করা ঠিক নয়।’ বস্তুত তাঁর ইঙ্গিত ছিল বোর্ড শক্তিশালী হওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা আগে আগে বাড়ি ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু বোর্ড দুর্বল হওয়ায় বঞ্চিত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটাররা।
