জশপ্রীত বুমরাহর ফিটনেস নিয়ে একপ্রস্থ নাটক হয়েছে আগেই। বেঙ্গালুরুর ‘সিওই’ (সেন্টার অফ এক্সেলেন্স) ফিট ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শ্রীলঙ্কা সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন তারকা পেসার। হাঁটুর চোটের জন্যই। মঙ্গলবার সেই দু'ই ম্যাচের সেই সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কায় পা রাখল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু দলের সঙ্গে যাওয়া হয়নি সাই সুদর্শনের। আপাতত ‘সিওই’-তে রয়েছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কা সফরের দল নির্বাচনের আগে থেকেই চোটের তালিকায় রয়েছেন বুমরাহ-সুদর্শন। দল ঘোষণার সময় বলে দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের খেলার বিষয়টি নির্ভর করছে সিওই-র ফিট সার্টিফিকেটের উপর। ইংল্যান্ডে ওয়ানডে সিরিজের মাঝে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন বুমরাহ। কয়েকদিন আগে তিনি ফিট বলে জানিয়েছিল সিওই। কিন্তু একদিন পরই জানা যায়, হাঁটুতে অস্বস্তি অনুভব করছেন তারকা পেসার। তড়িঘড়ি শ্রীলঙ্কা সফরের দলে তাঁর পরিবর্তে ডাকা হয় জম্মু-কাশ্মীরের আকিব নবিকে। সোমবার মুম্বইয়ে একজোট হয় টিম ইন্ডিয়া। তারপর মঙ্গলবার গিয়েছে শ্রীলঙ্কায়। তবে যাননি সুদর্শন।
আসলে বুমরাহ-বিতর্কের পর কিছুটা সাবধানী সিওই। তাই সুদর্শনকে ফিট ঘোষণা নিয়ে বাড়তি সময় নেওয়া হচ্ছে। বোর্ডের এক কর্তার বক্তব্য, “সুদর্শন সিওই-র নেটে ঘণ্টাখানেক ব্যাটিং করেছে। আরও কয়েকটা দিন দেখে ওর ফিটনেস নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আগে পুরো ফিট হতে হবে। হর্ষিত রানার মতো আবার কেউ মাঠে ফেরার পরেই চোট পাক, চাই না।” ৭ আগস্ট কলম্বোয় একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। তার আগে সুদর্শন ফিট হবেন কি না, সেটাই প্রশ্ন।
শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য আবার স্পিনের উপর বাড়তি নজর দিচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। দেশ ছাড়ার আগে বান্দ্রায় যতীন পরাঞ্জপের অ্যাকাডেমিতে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করতে দেখা গিয়েছে লোকেশ রাহুল ও যশস্বী জয়সওয়ালকে। সেখানে বিভিন্ন স্পিন বোলারকে সামলেছেন তাঁরা। যার মধ্যে ছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পরিবর্ত হিসেব অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝে ডাক পাওয়া স্পিনার তনুশ কোটিয়ানও। সোমবার যতীন বলছিলেন, “ওরা গত কয়েকদিন ধরে এখানে প্র্যাকটিস করছে। যশস্বী শনিবার থেকে আসছে। রাহুল কালও এসেছিল। মূলত স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে খেলেছে। কারণ এই পরিবেশেই ম্যাচ খেলতে হবে ওদের।”
অবশ্য শুধু ব্যক্তিগত স্তরেই স্পিন সামলানোর বিষয়টি সীমাবদ্ধ নয়। টিম ইন্ডিয়ার তরফেও জোর দেওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে। এমনিতেই শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টের জন্য দলে নেওয়া হয়েছে চার স্পিনার–রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মানব সুতার ও সারাংশ জৈনকে। সঙ্গে নেট বোলার হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরও চারজনকে। তাঁরা হলেন–তনুশ কোটিয়ান (অফস্পিন), হর্ষ দুবে (বাঁ-হাতি অর্থোডক্স), শিবাং কুমার (বাঁ-হাতি রিস্ট স্পিন) ও বিপ্রাজ নিগম (লেগস্পিন)।
