ভারতীয় ক্রিকেটে আকিব নবির উত্থানের পিছনে ইরফান পাঠানের অবদান কতটা, তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। প্রায় আট বছর আগের কথা। ইরফান তখন জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্বে। শ্রীনগরে তখন টিমের ট্রায়াল চলছে। সেখানেই পাঠানের নজরে পড়ে যান আকিব। নিখুঁত বোলিং অ্যাকশন। ভালো গতি। সেই সঙ্গে সুইংও মারাত্মক।
প্রথম দর্শনেই নবিকে বেশ পছন্দ হয়ে যায় পাঠানের। তারপর প্রত্যেকটা সেশনে চলত তাঁকে আরও নিঁখুত করার কাজ। সেই নবি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের যা পুরস্কার। নবির সাফল্যে কোথাও গিয়ে যেন আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন ইরফানও। বারবারই তাঁর সেই সব দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাঠান বলেন, “নবির একটা বড় গুণ রয়েছে। সেরা ব্যাটাররা যখন ডিফেন্স করবে, তখনও তাকে আউট করার ক্ষমতাও ওর রয়েছে। রনজি ফাইনালে সেটা দেখেছি আমরা। লোকেশ রাহুলকে ভালোরকম সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল নবি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচেও দেখেছিলাম, শ্রেয়স আইয়ার-সহ বর্তমান ভারতীয় টিমের ব্যাটারদের ওভাবে আউট করেছিল।"
তিনি আরও বলেন, দু’টো ম্যাচের উইকেট একেবারে আলাদা রকমের ছিল। ভিন্ন পিচেও যখন ও ব্যাটারদের একইরকম ভাবে সমস্যায় ফেলছে, তার অর্থ নবির মধ্যে সেই কোয়ালিটি রয়েছে। তবে একটা কথা বলব, টেস্টে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি থাকে।’’ উল্লেখ্য, ফিট ঘোষণা হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের হাঁটুতে অস্বস্তি হওয়ায় জশপ্রীত বুমরাহকে ছাড়াই শ্রীলঙ্কা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর পরিবর্ত হিসাবে নেওয়া হয়েছে আকিব নবিকে। তিনি রনজি ট্রফিতে শেষ দুই মরশুম মিলিয়ে শতাধিক উইকেট নিয়েছেন। গত রনজিতে সর্বাধিক উইকেটশিকারিদের তালিকায় ছিলেন। ৪৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১৬২টি উইকেট। সম্প্রতি ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিলেন।
