ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবে শ্রেয়স আইয়ারের শুরুটা যা হয়েছিল, সেটাকে স্রেফ বিশ্রী বললে কম বলা হয়। পর পর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ। আইসিসি টি-২০ ক্রমতালিকায় যে শীর্ষস্থান বহুদিন ধরে নিজেদের দখলে রেখেছিল টিম ইন্ডিয়া সেটাও হাতছাড়া হওয়া-এমন নানাবিধ লজ্জার রেকর্ড গড়ে ফেলে ভারতীয় দল। অবশেষে সেই দুঃসময় কাটল। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি আইসিসি টি-২০ ক্রমতালিকায় শীর্ষস্থান ফিরে পেল টিম ইন্ডিয়া।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। সিকন্দর রাজাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় টিম সিরিজ জিতবে, সেটাই খুব স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু কিছু সিরিজ জয় চাপ কাটিয়ে দিয়ে যায়। তা সে যতই দুর্বল প্রতিপক্ষ হোক না কেন! সূর্যকুমার যাদব বিশ্বকাপ জেতার পরও তাঁর জায়গায় শ্রেয়স আইয়ারকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি শ্রেয়সের। প্রথমে আয়ারল্যান্ডের কাছে দুটো টি-টোয়েন্টিতে হার। তারপর ইংল্যান্ডের কাছে হার। শ্রেয়স নিজেও বুঝতে পারছিলেন চাপটা তাঁর উপরও বাড়ছে। সেদিক থেকে দেখতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতা কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে অধিনায়ক শ্রেয়সকে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টি-২০ ম্যাচে হারার পর ভারত ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটের ক্রমতালিকায় শীর্ষস্থান খোয়ায়। জিম্বাবোয়েকে পরপর দু'ম্যাচে হারানোর পর সেই শীর্ষস্থান ফেরত পেল টিম ইন্ডিয়া। এই মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের সঙ্গে রেটিং পয়েন্টে কার্যত সমানে সমানে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের রেটিং পয়েন্ট ২৬৮.৮। ইংল্যান্ড কার্যত ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে। তাঁদের রেটিং পয়েন্ট ২৬৮.৩। অর্থাৎ কোনওক্রমে শীর্ষস্থান ফিরে পেল ভারত।
অবশ্য টিম ইন্ডিয়ার কাছে সুযোগ রয়েছে এই পয়েন্টের পার্থক্য আরও খানিকটা বাড়িয়ে নেওয়ার। রবিবারই ফের জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-২০ খেলতে নামবেন শ্রেয়সরা। ওই ম্যাচে যেমন জিম্বাবোয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার দিকে নজর থাকবে ভারতীয় দলের, তেমনই নজর থাকবে ক্রমতালিকায় ইংল্যান্ডের থেকে ব্যবধান বাড়ানোর দিকেও।
