আইপিএলের হাত ধরে ভারতের ক্রিকেটে প্রতিভার ভাণ্ডার ক্রমাগত আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে। আইপিএল থেকে প্রত্যেক বছরেই নতুন প্রতিভা উঠে আসছে। সেই কারণে বিসিসিআই এখন আর একটিমাত্র নির্দিষ্ট দলের উপর নির্ভর করে থাকতে চাইছে না। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টির মতো সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে। একই সময় দু'টি ভারতীয় দলকে নামাতে চাইছে ভারতীয় বোর্ড। কবে দেখা যাবে এই দৃশ্য?
আগামী দিনে ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচির কথা মাথায় রেখে বোর্ড ইতিমধ্যেই ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটার নিয়ে একটি দল গঠনের পরিকল্পনা করছে বিসিসিআই। লক্ষ্য একটাই, একই সময়ে একাধিক সিরিজ বা প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার মতো পর্যাপ্ত ক্রিকেটার প্রস্তুত রাখা। সেখানে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্যই এই পরিকল্পনা।
এ বছরের শেষের দিকে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রয়েছে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। একই সময় রয়েছে এশিয়ান গেমস। সেখানেও ক্রিকেট রয়েছে। সেই কারণেই একই সময় দু'টি ভারতীয় দল পাঠানোর তাগিদ তৈরি হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেই সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং এশিয়ান গেমসে দু'টি আলাদা ভারতীয় দলকে খেলতে দেখা যাবে। এমনই কথা জানিয়েছেন বিসিসিআইয়ের এক আধিকারিক।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের ওই আধিকারিক বলেন, “এশিয়ান গেমস এবং ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি সিরিজ একই সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই আমাদের দু'টি টি-টোয়েন্টি দলের কথা ভাবতে হচ্ছে। ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটারের একটি দল আমরা প্রস্তুত রাখতে চাইছি। বিভিন্ন সিরিজে তাদের খেলানো হবে। যেমন সামনে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর রয়েছে। সেখানে অনেক বেশি ক্রিকেটারকে খেলানো হবে। সেই কারণে তাদের প্রস্তুত রাখা হবে।"
মনে রাখতে হবে, ২০২৮ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে। সেই বছর অলিম্পিকও রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে যুক্ত হয়েছে ক্রিকেটও। ফলে দুই ইভেন্টে দু'টি পৃথক দল পাঠানোর কথা ভাবছে বিসিসিআই। একই সঙ্গে আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তানের মতো দলের বিরুদ্ধে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেরে ফেলতে চাইছে বোর্ড। উল্লেখ্য, এবারের আইপিএল থেকেই দল বাছাইয়ের কাজ সেরে ফেলতে চাইছেন ভারতীয় নির্বাচকরা। তালিকায় রয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী, প্রিয়াংশ আর্য, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, শশাঙ্ক সিংহ, অনুকূল রায়, কার্তিক ত্যাগী, প্রভসিমরন সিং, আয়ুষ বদোনির মতো তরুণ ক্রিকেটারা। একই সঙ্গে রয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার, ধ্রুব জুরেল, জিতেশ শর্মা, যশস্বী জয়সওয়াল, রজত পাতিদার, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, খলিল আহমেদ, রবি বিষ্ণোইয়ের মতো ক্রিকেটাররাও। শ্রেয়স আবার ভারতীয় দলের অধিনায়কও হতে পারেন। কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক।
