তার মুকুটে এখন ছোটদের বিশ্বসেরার খেতাব। জানা গিয়েছিল, ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করানোর পর বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষায় বসবে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। তার জন্য জোরকদমে পড়াশোনাও শুরু করেছিল বিহারের কিশোর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৪ বছরের বিস্ময় প্রতিভা পরীক্ষায় বসতে পারল না।
সিবিএসই দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসার কথা ছিল বৈভবের। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত ছিল পরীক্ষা। কিন্তু তাকে বিভিন্ন ক্রিকেট প্রশিক্ষণ, ক্যাম্প এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলতে হয়। অর্থাৎ ব্যস্ত শিডিউল। সেই কারণেই বোর্ড পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে পারেনি সে। তাই পরীক্ষা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিহারের তাজপুরের বৈভব 'মডেস্টি স্কুল তাজপুর'-এর ছাত্র বৈভব।
মডেস্টি স্কুল তাজপুরের ডিরেক্টর আদর্শ কুমার পিন্টু বলেন, "বৈভবের পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করা হয়েছিল। এমনকী অ্যাডমিট কার্ডও দেওয়া হয়েছিল। ওর পরীক্ষার সিট পড়েছিল পোদ্দার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। তবে ওর বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশীর সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ও এবছর পরীক্ষায় বসবে না।"
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ ফাইনালে ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে বৈভব। সেঞ্চুরি পূর্ণ করে মাত্র ৫৫ বলে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো মঞ্চে বৈভব বুঝিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করতেই তার আবির্ভাব। একটার পর একটা রেকর্ড– অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ রান। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ছয়। যুব ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কা। প্রথম প্লেয়ার হিসাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ এবং তার ফাইনাল- দু’য়েই সেরার পুরস্কার। সেই বৈভব ক্রিকেটীয় ব্যস্ততার কারণে এবছর বোর্ডের পরীক্ষায় বসতে পারল না।
