আয়ারল্যান্ড মানেই সহজ প্রতিপক্ষ। হেসেখেলে জিতবে ভারত। এতদিন এমনই মনে করা হত। কিন্তু বেলফাস্টে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সেই ধারণা বদলে দিয়েছে আয়োজকরা। ৩৪ রানের হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক হিসাবে শ্রেয়স আইয়ারের শুরুটাও সুখকর হয়নি। প্রশ্ন হল, সিরিজ বাঁচাতে কি ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর উপর ভরসা করবে ভারত?
আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ১৮৩ রানের জবাবে ভারত গুটিয়ে যায় মাত্র ১৪৮ রানে। বৈভব সূর্যবংশীর বহুপ্রতীক্ষিত অভিষেক সেদিন হয়নি। সেটার ফলই কি ভুগতে হয়? বৈভবকে খেলালে কি ছবিটা অন্যরকম হত? সম্প্রতি ডাম্বুলায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ২৯ বলে ৯৪ রান করে সকলকে চমকে দিয়েছিল বিহারের ব্যাটার। তাই তাঁকে খেলানোর দাবি জোরদার হচ্ছে।
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। বৈভবকে খেলাতে গেলে একজন ওপেনারকে বাদ দিতে হবে। শ্রেয়সের যুক্তি, আগের ম্যাচের সেটআপ ভাঙতে চান না। অথচ এই যুক্তিতে শ্রেয়স দলে ঢুকলেন কীভাবে? সেটা কি শুধু সূর্যকুমার যাদবের বদলে অধিনায়ক হওয়ায়? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পর সরিয়ে দেওয়া হয় সূর্যকে। আর আড়াই বছর পর শ্রেয়স দলে ফিরেই সোজা অধিনায়ক। কিন্তু প্রথম ম্যাচে ২০ বলে ৫০ রান করেছেন অভিষেক। সঞ্জু ফিরেছেন মাত্র ৫ রানে। তাই তাঁর জায়গা টলমল বলে মনে করছেন সঞ্জয় মঞ্জরেকরের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। তাই তাঁর জায়গায় বৈভব সুযোগ পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
এছাড়া ওয়াশিংটন সুন্দরের বদলে সূর্যাংশ শেডগে বা লেগ স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে খেলানোর কথাও ভাবতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। ভারতের সামনে শুধু সিরিজ সমতায় ফেরার লড়াই নয়, টানা ১২টি দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে দারুণ খেলা আয়ারল্যান্ড জয়ী দলেই ভরসা রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, সিরিজ বাঁচাতে ভারত কি ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর উপর আস্থা রাখে কিনা।
