‘এত অহংকার মোদিরও নেই’, ত্রিপুরার বিয়েবাড়ি বন্ধ নিয়ে জেলাশাসককে তোপ সোনুর

02:46 PM Apr 29, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নৈশ কারফিউ ভেঙে বিয়েবাড়িতে পার্টি চলার অভিযোগে ত্রিপুরার (Tripura) বিয়ে বাড়িতে গিয়ে অভিযান চালিয়েছিলেন জেলাশাসক শৈলেশ যাদব। সেই ঘটনার পর ক্ষমাও চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষোভ মেটেনি। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব (Biplab Kumar Deb)। জেলাশাসককে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারও। এবার ফেসবুক ভিডিওয় শৈলেশ যাদবের সমালোচনা করলেন সোনু নিগম (Sonu Nigam)।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ফেসবুকে আপলোড করা ভিডিওটিতে সোনু বলেন, “ডিএম সাহেব এটা কী? আমরা কোন দেশে আছি? এভাবে নিজের দেশের মানুষের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে পারি? ভুল করে থাকলে তাঁকেও নিজের কথা বলার সুযোগ তো দিন। মহিলাকেও বলছেন, ওনাকে গ্রেপ্তার করুন! নিজের ক্ষমতার এত অহংকার? আরে এত অহংকার তো প্রধানমন্ত্রী মোদিরও নেই। উনিও মানুষের সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলেন। আপনি শুধুমাত্র একজন জেলা শাসক। কোনও রাজা-মহারাজা নন। রাজাদের দিনও চলে গিয়েছে। কোন সাহসে মানুষের সঙ্গে এভাবে কথা বলেন! তাও এমন একটা সময়ে যখন সারা দেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে। এই সময় মানুষের সঙ্গে চলা উচিত। ভুল করলেও মাথা ঠান্ডা করে বোঝানো উচিত।”

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: ২৯ এপ্রিলের রাতে কী হয়েছিল? ইরফান খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণায় স্ত্রী সুতপা]

সোমবার রাত ১২টা নাগাদ রাজধানী আগরতলার প্রাণকেন্দ্রে দু’টি বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালান জেলাশাসক শৈলেশ যাদব। তার সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। তখনও বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। করোনা পরিস্থিতিতে ত্রিপুরায় রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কারফিউ জারি রয়েছে। অভিযানে গিয়ে জেলা শাসক শৈলেশ কুমার যাদব পুরোহিত-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন। ছিঁড়ে ফেলেন বিয়ের অনুমোদন পত্র। দাবি করেন, বিয়ের অনুমোদনে ৫০ জনকে নিয়ে রাত ১০টার আগে বিয়ে শেষ করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই আদেশই মানা হয়নি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

যদিও সোনু জানান, নিয়ম-কানুন সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বিশদে জানেন না। তবে যেটুকু শুনেছেন, তাতে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি নেওয়া ছিল। আর তা ডিএমের অফিস থেকেই পাশ হয়েছে। যে দু’টি বিয়েবাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছিল সেগুলির মালিক রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যুত কিশোর দেববর্মন। তিনিও এই ঘটনার তদন্ত চেয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ‘এই লোকটাকে বাংলায় ঢুকতে দেওয়া বন্ধ করা হোক’, যোগীকে তোপ শ্রীলেখার]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next