সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই শহরের ফুটপাতেই ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় মানুষটাকে। রাস্তার পাশের দেওয়ালে সুযোগ পেলেই আঁকিবুকি কাটতে বসে যান। লিখতে থাকেন, পৃথিবী নয় বরং সূর্য পৃথিবীর পাশে প্রদক্ষিণ করছে। এক, দুই বছর নয় গত চল্লিশ বছর ধরে এই কাজ করে চলেছেন কার্তিক চন্দ্র পাল ওরফে কে সি পাল। এই অদ্ভুত মানুষের কাহিনিই তথ্যচিত্রের আকারে ফুটিয়ে তুলেছিলেন পরিচালক সৌম্য সেনগুপ্ত। ‘দ্য জিওসেন্ট্রিক ম্যান’ নাম দিয়ে পাঠিয়েছিলেন সিবিএফসি-র ছাড়পত্রের জন্য। কোনও স্পষ্ট কারণ না দিয়েই নাকি ছবিকে ছাড়পত্র দিতে অস্বীকার করেছে সেন্সর। অভিযোগ এ বিষয়ে প্রযোজক-পরিচালককে জানানোর প্রয়োজন পর্যন্ত বোধ করেননি সিবিএফসি-র আঞ্চলিক অফিসের আধিকারিকরা।
এক সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক জানান, অসমর্থিত সূত্র মারফত তিনি জানতে পারেন যে অবৈজ্ঞানিক আখ্যা দিয়ে তাঁর তৈরি তথ্যচিত্রকে ফেরত পাঠিয়েছে সিবিএফসি। তবে পরিচালকের দাবি তিনি একটি কোনও মানুষের চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরেননি। তাঁর জীবনের কাহিনিকে দেখানোর চেষ্টা করেছেন মাত্র। আর একটি ডিসক্লেমারও দেওয়া রয়েছে তাতে।
[৩০ মিনিটের পারিশ্রমিক ২ কোটি! বিয়ের অনুষ্ঠানে থাকার প্রস্তাব বাতিল রণবীরের]
গত মাসেই নাকি প্রযোজক অমিত কুমার গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে একটি নোটিফিকেশন আসে। যাতে ‘দ্য জিওসেন্ট্রিক ম্যান’কে ছাড়পত্র দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয় তথ্যচিত্র তৈরির দৃষ্টিভঙ্গী আরও স্পষ্ট করতে হবে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় বানানও শোধরাতে হবে। এর জন্য ১৩ ফেব্রুয়ারি দেখা করতে বলা হয়। অভিযোগ, এরপর যখন ১৩ ফেব্রুয়ারি রিজিওনাল অফিসারকে কারণ বিশদে জানতে চাইলে তিনি কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন। যাঁর জীবন নিয়ে এত কাণ্ড সেই কে সি পাল বলেন, ‘এক সময় আমি নাসাকে গাধা বলেছিলাম। এবার সিবিএফসিকে আরও বড় গাধা বলব’। এ বিষয়ে মতামত জানার জন্য সিবিএফসির রিজিওনাল ডিরেক্টর সম্রাট বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও নাকি যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল ওই সংবাদপত্রের পক্ষ থেকে। তবে তাঁর তরফ থেকে কোনও উত্তর মেলেনি।
[মুসলিম ভাবাবেগে আঘাত প্রিয়ার গানে, অভিযোগ দায়ের যুবকের]
The post ‘অবৈজ্ঞানিক’ তকমা দিয়ে বাংলা তথ্যচিত্রকে ছাড়পত্র দিল না সেন্সর appeared first on Sangbad Pratidin.
