shono
Advertisement
Balurghat

বঙ্গে চালু 'কৃষি সখী' প্রকল্প! মহিলাদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ, কীভাবে হবে কাজ?

জেলার আটটি ব্লক থেকে সেখানে মোট ৬০ জন চিহ্নিত মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 03:55 PM Aug 15, 2026Updated: 03:59 PM Aug 15, 2026

বিষমুক্ত প্রাকৃতিক চাষে জোর! দক্ষিণ দিনাজপুরে শুরু 'কৃষি সখী' কর্মসূচি। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক ও জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে এবার মহিলাদের মাধ্যমে সচেতনতার প্রচারের উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত দক্ষিণ দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের মাঝিয়ান ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে এনিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ। জেলার আটটি ব্লক থেকে সেখানে মোট ৬০ জন চিহ্নিত মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে জেলার ৪টি ব্লকের ৩০ জন মহিলা এই প্রশিক্ষণের আওতায় এসেছেন। মূলত বিষমুক্ত চাষাবাদ মূল লক্ষ্য। সেক্ষেত্রে উন্নতমানের বীজ নির্বাচন, মাটি ও ফসলের পরিচর্যা, রোগ পোকা নিয়ন্ত্রণে কী করণীয়, গুরুত্বপূর্ণ সেই সংক্রান্ত বিষয়গুলি এই প্রশিক্ষণে শেখানো হচ্ছে মহিলাদের।

Advertisement

দক্ষিণ দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র (মাঝিয়ান) কৃষি আধিকারিক শিবানন্দ সিংহ বলেন, দেশজুড়ে জাতীয় কৃষি মিশন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে যেমন বিষমুক্ত খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন হবে, তেমনি খরচ কমবে কৃষকদের। মাটির স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে এইভাবে চাষাবাদে।

রাসায়নিক নির্ভরতা কমিয়ে কীভাবে পরিবেশ বান্ধব প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা যায়, তা হাতেকলমে শেখানো হচ্ছে 'কৃষি সখী'দের।। প্রশিক্ষণ শেষে এই 'কৃষি সখী'রা নিজনিজ এলাকার চাষিদের প্রাকৃতিক চাষের সমস্ত দিক তুলে ধরে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন। পাশাপাশি, কৃষিতে কৃষকদের সরকারি সুযোগ সুবিধা, পরিষেবা ইত্যাদি নিয়েও অবগত করা হবে। কৃষি সখী আলতাবানু খাতুন বলেন, প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদ নিয়ে খুব ভালোভাবে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরপর তাঁরা গ্রামে গিয়ে কৃষকদের বোঝাবেন এই ব্যাপারে। কৃষি স্বার্থে এভাবেই তাঁরা এগিয়ে এসেছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র (মাঝিয়ান) কৃষি আধিকারিক শিবানন্দ সিংহ বলেন, দেশজুড়ে জাতীয় কৃষি মিশন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে যেমন বিষমুক্ত খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন হবে, তেমনি খরচ কমবে কৃষকদের। মাটির স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে এইভাবে চাষাবাদে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৮টি ব্লকে রয়েছে ৩ লক্ষ ১০ হাজার চাষি। এজেলায় ধান, পাঠ, গম এবং সবজি অর্থকারী ফসল। এখানে ১ লক্ষ ৯০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হলেও, খরার মরশুমে বরো ধান চাষ হয় অন্তত ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে। সবজি চাষ হয় অন্তত ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। পাট চাষ হয় ৩০ হাজার হেক্টরে। কৃষিকাজের উন্নতির জন্য ফার্ম মেকানিজম স্কিম চালু হয়েছে। এতে গ্রাম স্তরে খামার, যন্ত্রপাতি ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করতে কৃষকদের সহযোগিতা করবে রাজ্য সরকার। এতে কৃষকরা ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার সুবিধা পাচ্ছে। এছাড়াও রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করে প্রাকৃতিক বা জৈব সার প্রয়োগে চাষাবাদ নিয়ে তৎপর হয়েছে কৃষি দপ্তর। সরাসরি মাঠে ময়দানে গিয়ে প্রচারের পাশাপাশি, কৃষকদের নিয়ে একাধিক কর্মশালাও হয়েছে। এবার একই উদ্দেশ্যে মহিলাদের নিয়ে 'কৃষি সখী' কর্মসূচি শুরু হয়েছে এজেলায়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement