তিনিই মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া। কেরলের উনিশ বছরের আইনের ছাত্রী। ৫২ জন প্রতিযোগীকে পিছনে তিনিই জিতেছেন শিরোপা। আগামী নভেম্বরে পুয়ের্তো রিকোয় মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাঁকে নিয়েই চর্চা ফ্যাশন জগতে।
গতকাল রবিবার জয়পুরে ছিল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠান। সেখানেই সকলকে পিছনে ফেলে দেন কাজিয়া। কে এই তরুণী? তিনি কেরলের মাভেলিক্করার বাসিন্দা। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই সকলের নজর কেড়ে নেন মিস টিন ডিভা ২০২৪ জিতে। এমনকী পরের বছর মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতাতেও দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। শেষ করেন রানার্স আপ হিসেবে। আর এবছরের শুরুর দিকেই মিস ইউনিভার্স কেরল ২০২৬-ও হন তিনি। এবার তাঁর মুকুটে নয়া পালক।
২০০৭ সালে আবু ধাবিতে জন্ম কাজিয়ার। মধ্যপ্রাচ্যেই পড়াশোনা করেন। সেই সঙ্গেই ক্লাসিক্যাল নাচও শেখেন। বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন। শিখেছেন বেহালা বাদন। আবার মালয়ালম ছবি 'শাইলক'-এর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই রুপোলি পর্দাতেও পা রেখেছেন। এবার ফ্যাশন দুনিয়াতেও ঝড় তুললেন। বিশ্ব মঞ্চে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় তিনি কতদূর এগতে পারেন আপাতত সেদিকেই নজর দেশের ফ্যাশন জগতের।
কে এই তরুণী? তিনি কেরলের মাভেলিক্করার বাসিন্দা। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই সকলের নজর কেড়ে নেন মিস টিন ডিভা ২০২৪ জিতে। এমনকী পরের বছর মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতাতেও দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন।
রবিবার কাজিয়াকে বিজয়ীর মুকুট পরিয়ে দেন ২০২৫ সালের বিজয়ী মণিকা বিশ্বকর্মা। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, 'খুব ভালো লাগছে। আমার জীবনের অনন্য মুহূর্ত তৈরি হল।' তিনবছর ধরে তিনি যে অমানুষিক পরিশ্রম করেছেন, তা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে তিনি আনন্দিত, এমনটাও জানান কাজিয়া। সেই সঙ্গেই তিনি জানান, এই মুকুট কেরলে নিয়ে যেতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর এই সাফল্যে খুশির রেশ দক্ষিণী রাজ্যেও। তিনি সত্যিই বিশ্বমঞ্চে দেশকে গর্বিত করতে পারেন কিনা সেটাই দেখার। মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় ফাইনালে অল্পের জন্য হেরে গেলেও এবার আরও বড় সাফল্য পেতে চাইবেন কাজিয়া, তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।
