প্যাচপ্যাচে গরম। সঙ্গে বর্ষার অঝোর ধারা। এই ওয়েদার মনকে যতই রোম্যান্টিক করুক না কেন, বগল কিন্তু অন্য সুর গায়! মাথায় নাহয় বর্ষার ছাতা ধরলেন, কিন্তু বগলের নিচে যে জলবায়ু পরিবর্তন, তার কী হবে? রোম্যান্টিকতায় কাছাকাছি আসার আগেই যদি ঘামের সোঁদা গন্ধ—থুড়ি, দুর্গন্ধ পুরো মুড ভেস্তে দেয়, তবে দোষ কার? একে একে দূরে পালাবে সব্বাই। আসলে এই মরশুমে বাতাসে আর্দ্রতার পারদ এত বাড়ে যে, শরীর যেন হয়ে ওঠে চলমান ঘামের কারখানা। ফল? চটচটে ভাব আর বিশ্রী গন্ধ! ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল এই অবস্থা থেকে রেহাই পেতে কী করবেন (Sweat Smell Remove Tips)?
ফাইল ছবি
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ৭ উপায়
১. স্নানের সঠিক সময়
দিনে অন্তত দু’বার স্নান করুন। বিশেষ করে বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে স্নান করা বাধ্যতামূলক। বর্ষায় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তাই ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করলে ত্বকের রোমকূপ পরিষ্কার থাকে।
২. সাবানের সঠিক প্রয়োগ
পুরো শরীরে সাবান না মাখলেও চলবে। তবে বগল, উরুসন্ধি এবং পায়ের পাতায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ভালোভাবে ব্যবহার করুন। কারণ, এই সব ঢাকা জায়গাতেই জীবাণুরা ডেরা বাঁধে।
ফাইল ছবি
৩. পোশাক পরার আগে শুকোন
স্নান সেরে উঠেই তাড়াহুড়ো করে জামাকাপড় পরবেন না। ত্বক পুরোপুরি শুকোতে দিন। ভেজা শরীরে পোশাক পরলে আর্দ্রতা আটকে গিয়ে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ঘটে।
৪. ডিও নয়, ভরসা অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট
শুধুমাত্র সুবাস ছড়িয়ে দুর্গন্ধ ঢাকা যায় না। ডিওডোরেন্ট শুধু গন্ধ ঢাকে, কিন্তু অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ঘাম তৈরি বন্ধ করে। তাই বর্ষায় অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করুন।
ফাইল ছবি
৫. কাপড়ের নির্বাচনে সচেতনতা
সিন্থেটিক বা নাইলনের পোশাক ত্বককে শ্বাস নিতে দেয় না। বর্ষাকালে সুতি বা লিনেনের মতো হালকা ও হাওয়া চলাচলের উপযোগী পোশাক পরুন। এতে ঘাম জমবে কম।
৬. খাবারে রাশ টানুন
অতিরিক্ত রসুন, পেঁয়াজ, মশলাদার খাবার এবং ক্যাফেইন শরীরের ঘামের গন্ধে প্রভাব ফেলে। বর্ষায় বেশি করে জল, লেবুর শরবত এবং ডিটক্স ওয়াটার খান।
৭. শরীরের লোম ছাঁটুন
শরীরের যে সব অংশে ঘাম বেশি হয়, সেখানকার লোম নিয়মিত ট্রিম বা শেভ করে পরিষ্কার রাখুন। কারণ লোমে ঘাম ও ব্যাকটেরিয়া আটকে থেকেই দুর্গন্ধ ছড়ায়।
