shono
Advertisement

Breaking News

Kangana Ranaut’s Meghalaya Eri Silk Saree

পোশাক নিয়ে কৃতীকে তোপ দেগেই শাড়িতে কঙ্গনা! পুজোয় কিনবেন মেঘালয়ের 'অহিংসা' সিল্ক?

কঙ্গনার পরনের শাড়িটির বেগুনি রঙ তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে কেবলমাত্র ন্যাচারাল ডাই, যার মূল উপাদান লোহার গুঁড়ো আর ডালিম!
Published By: Utsa TarafdarPosted: 03:59 PM Aug 27, 2026Updated: 03:59 PM Aug 27, 2026

নামী গয়না-নির্মাতা ব্র্যান্ডের রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনে ব্রালেট পরিধান করায় বিতর্কের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতী শ্যানন, কঙ্গনা রানাউতের চাঁছাছোলা মন্তব্য সেই আগুন আরও উসকে দিয়েছে। সঠিক এথনিক পোশাক যে ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, অভিনেত্রীর পোস্ট খেয়াল করিয়েছে তা-ই। এরই মধ্যে বেগুন-রঙা শাড়ি গায়ে সোশাল মিডিয়ায় ফোটো পোস্ট করেছেন সাংসদ-অভিনেত্রী নিজেই। জানিয়েছেন, তাঁর সংগ্রহের প্রথম মেঘালয়ান শাড়ি এটি (Kangana Ranaut’s Meghalaya Eri Silk Saree)।

Advertisement

শাড়ির প্রতি কঙ্গনার যে বিশেষ দুর্বলতা, তা তাঁর অনুরাগী মাত্রেই জানেন। সংসদে প্রায় সবসময়েই তাঁকে দেখা যায় বিবিধ চোখধাঁধানো কারুকাজ ও ফেব্রিকের শাড়িতে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের কারিগরদের হাতে-বোনা শাড়িকে অজান্তেই যেন প্রচারের আলোয় তুলে ধরেন তিনি। এরই অন্যতম, এই হস্তচালিত লুমে তৈরি মেঘালয়ান সিল্ক শাড়িটি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য এই শাড়ি বেছে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

যে ব্র্যান্ড থেকে শাড়িটি কেনা, তারাও তাদের তরফ থেকে শাড়িটির সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন নেটনাগরিকদের উদ্দেশে। বলা বাহুল্য, আসন্ন দুর্গাপুজোয় এই শাড়িই হতে পারে বাঙালির স্টাইল স্টেটমেন্ট। মেঘলয়ান শাড়িটি কিনবেন কি-না, সেই দ্বন্দ মেটাতে বিশদে জেনে নিন শাড়িটির সম্পর্কে।

শাড়িটির বেগুনি রং তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে কেবলমাত্র ন্যাচারাল ডাই, যার মূল উপাদান লোহার গুঁড়ো আর ডালিম! বিস্ময়কর তথ্য বটে, তবে প্রাকৃতিক রঞ্জক যে কত শত জিনিস থেকে প্রস্তুত করা যায়, তা জানলে পদে পদে অবাক হতে হবে। শাড়িটি বুনতে সময় লেগেছে আড়াই মাস। এই শাড়ির পোশাকি নাম ‘এরি সিল্ক’, তবে ‘অহিংসা সিল্ক’-ও বলা হয় একে।

অহিংসা কেন? সে গল্প জানতেই হয়। এই বিশেষ ধরনের সিল্ক উত্তর-পূর্ব ভারতের ফিলোসামিয়া রিকিনি নামের মথ থেকে পাওয়া যায়। অন্যান্য ধরনের সিল্কের তুলনায় অহিংসা সিল্ক তৈরির প্রক্রিয়া আলাদা। এই ক্ষেত্রে মথ কোকুন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর সেই কোকুন থেকে সিল্ক সংগ্রহ করা হয়। ফলে সিল্ক সংগ্রহের সময় মথকে হত্যা করতে হয় না, অর্থাৎ প্রক্রিয়াটি অহিংস।

এই টেক্সটাইল ম্যাট ফিনিশ, হাত বোলালে খানিক অমসৃণ তুলোর মতো লাগতে পারে। এটি গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে, আবার শীতকালে উষ্ণতা ধরে রাখে। ব্র্যান্ডটির অন্যান্য মেঘালয়ান এরি সিল্কের দামের সাপেক্ষে অনুমান করা যায়, কঙ্গনা যে শাড়িটি পরেছেন, তার মূল্য ১৫ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে।

মেঘালয়ের এরি সিল্ক।

তবে সিল্কের মূল্য ও কারুকাজের জটিলতার নিরিখে নানা ধরনের দামেই এরি সিল্ক পাওয়া যায়। যেমন প্রাকৃতিকের বদলে কৃত্রিম রঞ্জনে রাঙানো হলে সেই শাড়ির দাম ৪-৭ হাজারের মধ্যে হবে। সর্বোচ্চ ৪০ হাজারও দাম হতে পারে এমন শাড়ির। এই শাড়ি যে নিতান্তই এক ‘স্টেটমেন্ট পিস’, সংগ্রহ করতে পারলে আলমারির শোভা বাড়ায় মেঘলয়ান এরি সিল্ক, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement