যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে ট্যাটুর চাহিদা। তার ফলে পাড়ায় পাড়ায় অলিগলিতে তৈরি হচ্ছে একাধিক ট্যাটু পার্লার। আপনিও কি ট্যাটু করাবেন ভাবছেন? তবে কী ট্যাটু করবেন, তা ভেবেচিন্তে না করলে ভবিষ্যতে বড়সড় সমস্য়ায় পড়তে পারেন। তাই জেনে নিন কোন ধরনের ট্যাটু ভুলেও করানো উচিত নয়। ট্যাটুর জেল্লা বজায় রাখতে কী করা প্রয়োজন।
অনেক সময় ট্য়াটুতে মনের মানুষের নাম কিংবা নামের আদ্যক্ষর লেখেন কেউ কেউ। কিংবা বিয়ের দিন অথবা যুগলে 'ম্যাচিং ডিজাইন' বেছে ট্যাটু করেন। ভুলেও সেসব করবেন না। কারণ, সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কখন যে কোন খাতে বইবে, তা কারও জানা নেই। সেক্ষেত্রে মনের মানুষ জীবন থেকে সরে গেলেও ট্যাটু শরীর থেকে দূর করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই ভুলেও এই কাজ করবেন না।
কেউ কেউ যুগের হাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ট্যাটুর ডিজাইন বাছেন। তা হতে পারে কোনও পাখি, কিংবা সংখ্যা, মুকুট বা নীল চোখের সিংহ। ওই ট্রেন্ড পুরনো হয়ে গেলেই ট্যাটুও একঘেয়ে যায়। তবে ট্যাটু একবার করানোর পর তা তোলা সহজ কথা নয়। তাই করানোর আগে একবার নয়, একশোবার ভাবনাচিন্তা করুন।
অনেকের ট্যাটুর শখ বাঁধনহারা। হাত, আঙুল, গলা, ঘাড়, পিঠ যেদিকেই তাকাবেন ট্যাটু আর ট্যাটু। ধীরে ধীরে ট্যাটুর রং অনুজ্জ্বল হতে শুরু করলেই দেখতে আর মোটেও ভালো লাগে না। তখন চাইলেই ট্যাটু তুলে ফেলা সম্ভব হয় না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাখতেই হয়। তাই একের পর এক ট্যাটু করানোর আগে সাবধান হোন।
ধরুন আপনার মনখারাপ। কোনও কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছেন। ইন্টারনেট ঘেঁটে বিষাদে ভরা কোনও লাইন দেখলেন, আর তা মন ছুঁয়ে গেল। ওই লাইনটি হাতে ট্য়াটু করে ফেললেন। পরে মন ভালো হয়ে গেলেও ট্যাটু মুছতে পারবেন না। তাই সাবধানে ভেবেচিন্তে ট্যাটু বাছাই করুন।
এবার জেনে নেওয়া যাক ট্যাটুর জেল্লা বজায় রাখতে কী করবেন?
- ট্যাটুতে ভুলেও বেশি জল লাগাবেন না।
- প্রতি রাতে ট্যাটুর জায়গাটি পরিষ্কার করুন। হালকা হাতে ময়েশ্চারাইজার মাসাজ করে ঘুমোতে যান।
- ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখতে প্রতিদিন বেশি করে জল খান।
- অনুজ্জ্বল হয়ে গিয়েছে মনে করলে আরও একবার ট্যাটু রং করিয়ে নিতে পারেন।
