সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ত্বক এবং চুলের যত্নের জন্য আমরা নানা উপায় অবলম্বন করি। ঘরোয়া টোটকা থেকে বিউটি ট্রিটমেন্ট, থেরাপি- সবকিছুরই আমরা সাহায্য নিয়ে থাকি। এবার ত্বক এবং চুলের সমস্যাগুলির চিকিৎসার জন্য 'রেড লাইট থেরাপি' নামক পেশাদার চিকিৎসার সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে।

'রেড লাইট থেরাপি' হল এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা ত্বক এবং চুলের সমস্যায় চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নন-ইনভেসিভ চিকিৎসা। যদিও এটি নিরাপদ, তা সত্ত্বেও এর কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো।
'রেড লাইট থেরাপি' এক ধরনের লেজার থেরাপি নামেও পরিচিত, একটি নন-ইনভেসিভ চিকিৎসা যাতে ৬৩০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ব্যবহার করা হয়। এই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে, কোষের কার্যকলাপকে সক্রিয় করে, টিস্যু মেরামত করে এবং সামগ্রিক ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। বার্ধক্যের লক্ষণ থেকে শুরু করে প্রদাহ এবং চুল পাতলার হওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মোকাবিলার জন্য এটি একটি বহুল চাহিদা সম্পন্ন থেরাপিতে পরিণত হয়েছে। এই থেরাপি প্রায়শই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং চুলের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। বিশেষত হাইড্রাফেসিয়াল, মাইক্রোনিডলিং এবং ব্রণ, পিগমিন্টেশনের মতো সমস্যার চিকিৎসা করা হয় এই পদ্ধতিতে।
চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় এটি অত্যন্ত উপকারি একটি থেরাপি। এটি মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং চুল পাতলা হওয়ার মতো সমস্যা রোধ করে। তাপে ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে আবার স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে এই থেরাপি।
তবে এই থেরাপির কিছু পাশ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তা হল, এই থেরাপির ফলে মাঝে মাঝে ত্বকে হালকা লালচে ভাব বা জ্বালা হতে পারে, বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। এই থেরাপির সময় চোখ যাতে সুরক্ষিত থাকে সেই দিকে নজর দিতে হবে। তাহলে কি এই থেরাপি সকলের জন্য সুরক্ষিত নয়! উল্লেখ্য, যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল তাদের এই থেরাপি এড়িয়ে চলা উচিত। সেই সঙ্গে এই থেরাপি করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন।