বাঙালির রান্নাঘর এখন পিঠে-পুলির গন্ধে ম ম। পৌষ পার্বণ মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে চালের গুঁড়োর সুবাস। সঙ্গে নলেন গুড়ের মিষ্টি স্বাদ। তবে সময়ের স্রোতে রুচিও বদলেছে। একঘেয়েমি কাটাতে সাবেকিয়ানার গায়ে এবার লেগেছে আধুনিকতার প্রলেপ। বছর বছর সেই একই ক্ষীরের পুর দেওয়া পাটিসাপটা এখন অতীত। পাটিসাপটার সাবেকি মোড়কে যদি থাকে চকোলেট বা কাস্টার্ডের টুইস্ট, তবে মন্দ হয় না। উৎসবের মেজাজ জমিয়ে দিতে রইল পাটিসাপটার ৫ ফিউশন রেসিপি।
১) ম্যাঙ্গো-সন্দেশ পাটিসাপটা
শীতেও আমের স্বাদ! আমসত্ত্ব বা আমের পাল্পের সঙ্গে সন্দেশ মেখে পুর তৈরি করুন। সাধারণ ব্যাটারের ভিতরে এই আমের টুইস্ট সাবেকি পিঠেকে এক লহমায় আধুনিক করে তুলবে।
পিঠে নরম রাখতে চালের গুঁড়ো ও ময়দার ব্যাটার অন্তত আধ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। তাওয়া যেন খুব বেশি গরম না হয়। সামান্য ঘি মাখিয়ে হালকা আঁচে ধৈর্য ধরে সেঁকলেই মিলবে নমনীয় ও ধবধবে সাদা পাটিসাপটা।
পিঠেতে থাকুক আভিজাত্য। ব্যাটারে কয়েক ফোঁটা রোজ সিরাপ মেশালে আসবে হালকা গোলাপি আভা। ভিতরে খোয়া ক্ষীরের সঙ্গে মিশিয়ে দিন গুলকন্দ। প্রতি কামড়ে গোলাপের স্নিগ্ধ গন্ধে মজে উঠবে মন।
৩) চকোলেট-হ্যাজেলনাট পাটিসাপটা
ছোটদের কথা ভেবেই এই ফিউশন। ব্যাটার তৈরির সময় সামান্য কোকো পাউডার মিশিয়ে দিন। পুর হিসেবে ব্যবহার করুন চকোলেট স্প্রেড। সাথে দিন কুচোনো হ্যাজেলনাট বা কাজু। ওপর থেকে চকোলেট সস ছড়িয়ে দিলে এটি হবে খুদেদের সেরা প্রাপ্তি।
খুব বেশি মিষ্টি অপছন্দ? তবে এটি আপনার জন্য। দুধ, কাস্টার্ড পাউডার ও চিনি দিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। আপনি পনিরও মেশাতে পারেন মিশ্রণে। এর সঙ্গে দিন আপেল, আঙুর বা বেদানার কুচি। এই ঠান্ডা কাস্টার্ডের পুর দিয়ে পাটিসাপটা মুড়িয়ে নিলেই তৈরি এক স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট।
ক্ষীরের বদলে এখানে নায়ক ম্যাশ করা পনির। এলাচ গুঁড়ো, কনডেন্সড মিল্ক এবং কেশর মিশিয়ে পুর তৈরি করুন। পনিরের হালকা নোনতা ভাব আর দুধের মালাই মিলে এক রাজকীয় স্বাদ এনে দেবে।
