বিশ্বকাপ শেষ। এবার ভারতীয় ফুটবলে প্রত্যাবর্তন। আর সেটা শুরু হল চিরপরিচিত কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) দিয়ে। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে শুরু হল ১৩৫ তম ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2026)। উদ্বোধনে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। আর বিশ্বকাপের মতোই ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচও বিতর্কমুক্ত হল না। প্রথমার্ধের ফলাফল গোলশূন্য। তবে ২৪ মিনিটে সবুজ-মেরুনের একটি পেনাল্টির আবেদনে কানে তোলেননি রেফারি। বক্সের মধ্যে লাল-হলুদের জিকসন সিংয়ের হাতে বল লাগলেও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি।
যুবভারতীতে বলে কিক মেরে ডুরান্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। ডুরান্ড কমিটির কর্তাব্যক্তিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মানিকতলার বিধায়ক তাপস রায়। এবার ক্রীড়ামন্ত্রীর উদ্বোগে পেপারলেস টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্টেডিয়ামে জলের সমস্যা নিয়েও অভিযোগ বহুদিনের। সেই বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী। এদিন স্টেডিয়ামের র্যাম্পের বাইরে পরিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা ছিল।
আর ম্যাচের প্রথমার্ধেই বিতর্ক। ২৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন মোহনবাগানের সাহাল আবদুল সামাদ। তাঁর জোরাল শট লাল-হলুদের জিকসন সিংয়ের হাতে লাগে। সাহাল আবেদন জানালেও রেফারি কর্ণপাত করেননি। গোলমুখী শটে রেফারি পেনাল্টি দিতেও পারতেন। আবার অনেকের যুক্তি, জিকসনের হাত শরীরের সঙ্গে লেগে ছিল। শটের জোরে জিকসনের হাত শরীর থেকে ছিটকে যায়। ফলে মরশুমের প্রথম ডার্বির প্রথমার্ধেই বিতর্কের শুরু।
যুবভারতীতে ডার্বিতে দু'দলই বিদেশিহীন প্রথম একাদশ সাজিয়েছিল। দুই নতুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস ও আন্তোনিও হাবাসের কাছে প্রস্তুতির খুব বেশি সময় ছিল না। বল পজেশন বা গোলমুখী আক্রমণে মোহনবাগান এগিয়ে ছিল। তবে খুব বিপজ্জনক পরিস্থিতি কোনও দলই তৈরি করতে পারেনি। গোল করার লোকের অভাব দু'দলেই। আবার মোহনবাগান কেন শুরুতেই সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইস্টবেঙ্গল কেন পিভি বিষ্ণুকে খেলাল না সেই প্রশ্ন উঠছে।
ডার্বি উদ্বোধনে ক্রীড়ামন্ত্রী
