shono
Advertisement
East Bengal

পরিত্রাতা বিষ্ণু, ইন্ডিয়ান আর্মিকে হারিয়ে ডুরান্ডের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

লাল-হলুদ শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জিতল বটে, কিন্তু ঝুরিঝুরি গোল মিস চিন্তায় রাখবে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবকে।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 08:56 PM Aug 16, 2026Updated: 09:18 PM Aug 16, 2026

ইস্টবেঙ্গল ১ (বিষ্ণু)
ইন্ডিয়ান আর্মি ০ 

Advertisement

ইন্ডিয়ান আর্মিকে হারিয়ে ডুরান্ডের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল। খাতায়-কলমে সহজ প্রতিপক্ষ হলেও হাবাসের দলকে রবিবাসরীয় যুবভারতীতে যথেষ্ট বেগ দিলেন আর্মির ছেলেরা। প্রথমার্ধে 'মশাল বাহিনী' এগিয়ে না গেলে এই ম্যাচের ভাগ্য অন্য ভাবে লেখা হতেই পারত। লাল-হলুদ শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জিতল বটে, কিন্তু ঝুরিঝুরি গোল মিস চিন্তায় রাখবে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবকে। 

আর্মি দলটি যেখানে গ্রুপ বি-তে টানা তিন ম্যাচ জিতে শীর্ষে থেকে কোয়ার্টারে উঠে এসেছে। সেখানে শক্তিশালী গ্রুপ-এ থেকে দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটে ইস্টবেঙ্গল। এদিন প্রভসুখন গিলকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন লাল-হলুদ কোচ আন্তেনিও লোপেজ হাবাস। তাঁর বদলে তেকাঠি সামলালেন ফুরবা টেম্পা লাচেম্পা। শুরুটা খারাপ করেনি ইস্টবেঙ্গল। ৬ মিনিটেই গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে তারা। বক্সের কোনা থেকে কাট করে ডেভিড বল বাড়ান পোস্টের সামনে থাকা দানি রামিরেজকে। গোল লক্ষ্য করে রামিরেজের শট বিপক্ষের গোলকিপার আটকে দেন। দু'মিনিট পরেই অবশ্য ইস্টবেঙ্গলকে বাঁচান তাদের গোলকিপার। পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে অভিষেক শঙ্করের জোরালো শট ডাইভ দিয়ে বিপন্মুক্ত করেন লাচেম্পা।

১২ মিনিটে রামিরেজের ফ্রি-কিকও পোস্টের ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২১ মিনিটে লালচুংনুঙ্গার দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটও বাঁচান আর্মির গোলকিপার ভাবিন্দর মাল্লা ঠাকুরি। ৩৫ মিনিটে বিপক্ষ গোলকিপার এগিয়ে আসায় দূর থেকে চকিতে শট নিয়েছিলেন রামিরেজ। যদিও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত ৩৯ মিনিটে গোলের খরা কাটে ইস্টবেঙ্গলের। বাঁ দিক থেকে ইকোনোমিডিসের মাপা সেন্টারে দুরন্ত হেডে বল জালে জড়ান পিভি বিষ্ণু। গোলের পর সেলিব্রেশন করতে গিয়ে পায়ে চোট পান তিনি। প্রাথমিক শুশ্রূষার পর অবশ্য ফের মাঠে নামেন। এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।

গোলদাতা বিষ্ণু। ছবি ইস্টবেঙ্গল।

৫৮ মিনিটে জোড়া বদল করেন হাবাস। ডেভিডের জায়গায় নামেন জেসিন টিকে। ইকোনোমিডিসের জায়গায় আসেন এডমুন্ড। নেমেই ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল জেসিনের সামনে। রশিদের বাড়ানো বল থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। ৭৯ মিনিটে এই জেসিনই সহজ সুযোগ মিস করেন। পা ছোঁয়াতে পারলেই অবধারিত ভাবে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। গোল মিসের বহর এখানেই শেষ নয়। ৮৩ মিনিটে সেই জেসিনই বিপিনের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। যদিও তাঁর শট ডান দিকের পোস্টের সামান্য দূর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৮৭ মিনিটেও সুযোগ হারায় ইস্টবেঙ্গল। এত সবের মাঝেও আর্মি কিন্তু হাল ছাড়েনি। অসংখ্যবার লাল-হলুদ গোলমুখে হানা দিয়েছে। বেশ কয়েকবার ইস্টবেঙ্গল রক্ষণকে চাপে ফেললেও ফিনিশারের অভাব ভোগাল তাদের। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধে করা বিষ্ণুর গোলেই জিতে মাঠ ছাড়ল 'মশাল বয়েজ'।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement