অবশেষে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হল আর্সেনাল। ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ১-১ গোলে বোর্নামাউথের সঙ্গে ড্র করতেই লিগসেরার খেতাব ওঠে মিকেল আর্তেতার দলের মাথায়। ২০০৩-০৪ সালে আর্সেন ওয়েঙ্গারের আর্সেনাল অপরাজিত থেকে লিগ জিতেছিল। তারপর ২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা। যা মেটালেন বুকায়ো সাকা, ডেক্লান রাইসরা। এবার প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ের চ্যালেঞ্জ গানার্সদের সামনে।
এই মরশুমে প্রিমিয়ার লিগ ছিল মহানাটকীয়। প্রথম দিকে দাপট ছিল আর্সেনালের। কিছুটা পিছিয়েই ছিল পেপ গুয়ার্দিওলার সিটি। কিন্তু এপ্রিলে টানা দু'ম্যাচ হেরে চাপ বাড়ে আর্সেনালের উপর। সিটির কাছে হেরে অঙ্ক কঠিন হয়। অনেকেই খোঁচা দিচ্ছিলেন, আর্সেনাল এবারও লিগ 'বটল' (এগিয়ে থেকেও ব্যর্থ হওয়া) করবে। তবে বোর্নামাউথের সঙ্গে ড্র সিটি করায় এক ম্যাচ বাকি থাকতেই চ্যাম্পিয়ন হল আর্সেনাল।
লিগ জিততে হলে সিটিকে শেষের দু'টি ম্যাচ জিততেই হত। অন্যদিকে অপেক্ষা করতে হত আর্তেতার দলের হারের। বোর্নামাউথের বিরুদ্ধে ৩৯ মিনিটে জুনিয়র ক্রুপির গোলে পিছিয়ে পড়ে পেপের দল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরান আর্লিং হালান্ড। ৩৭ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৭৮। সমসংখ্যক ম্যাচে আর্সেনালের পয়েন্ট ৮২। শেষ ম্যাচ জিতলেও গানার্সদের ছুঁতে পারবে না সিটি। ঘটনাচক্রে বোর্নামাউথের কোচ আন্দোনি ইরাওলা হলেন আর্তেতার ছোটবেলার বন্ধু। অন্যদিকে আর্সেনালের স্প্যানিশ গুরুর কোচিং অভিযান শুরু হয়েছিল পেপের অধীনেই।
২০০৩-০৪ সালে শেষবার প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্সেনাল। সেবার একটাও ম্যাচ হারেননি প্যাট্রিক ভিয়েরা, থিয়েরি অঁরিরা। যে কারণে ওই টিমকে 'দ্য ইনভিন্সিবল' বলা হয়। এবার মার্টিন ওডেগার্ড, উইলিয়াম সালিবাদের হাত ধরে লাল-সাদা ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল। সেই সঙ্গে আর্তেতাকে নিয়ে 'ট্রাস্ট দ্য প্রসেস'-এর উত্তরও মিলল। এবার লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। যা আজ পর্যন্ত জেতেনি আর্সেনাল। ৩০ মে পিএসজি'র বিরুদ্ধে দ্বিমুকুটের লক্ষ্য নামবে তারা।
