অনুমতি ছাড়াই মাঠে নেমে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ধরেছিলেন! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন শতদ্রু দত্ত (Satadru Dutta)। জানিয়েছেন, অরূপের বিরুদ্ধে তিনি এফআইআর দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে জুঁই বিশ্বাসের। তৎকালীন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করতে চলেছেন মেসি গোট টুরের আয়োজক শতদ্রু।
বাংলায় নতুন সরকার গঠনের পরই যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শতদ্রু। জানিয়েছিলেন, অরূপের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করতে চলেছেন। বিস্ফোরক অভিযোগ করে কোন্নগরের ব্যবসায়ী জানিয়েছিলেন, মুখ খুললে তাঁর পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেকারণেই মেসি কাণ্ড নিয়ে একেবারে চুপ করেছিলেন তিনি। যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার জেরে ৩৮ দিন জেল হেফাজতে কাটাতে হয় শতদ্রুকে। তারপর মুক্তি পান তিনি।
শতদ্রুর অভিযোগ, গোটা ঘটনায় তাঁকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে। তবে মেসি-সংক্রান্ত বিতর্কে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়নি বলেই তাঁর দাবি। যাদের জন্য গারদের ওপারে দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছিল বলে অভিযোগ, এবার তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন শতদ্রু। অরূপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস এবং রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে তিনি এফআইআর দায়ের করেছেন। স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশৃঙ্খলার দিন যাদের মাঠে থাকার অনুমতি ছিল না তারাও মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন। সেটা সম্পূর্ণ গা জোয়ারি করেই।
মেসির গোট টুরের উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, মাঠে ঢোকার অনুমতিই ছিল না জুঁই বিশ্বাসের। তা সত্ত্বেও তিনি মাঠে ঢুকে ছবি তোলেন মেসির সঙ্গে। গা জোয়ারি করে, প্রভাব খাটিয়ে মেসির কাছাকাছি চলে এসেছিলেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী, এমনটাও জানিয়েছেন শতদ্রু। এই দু'জনের পাশাপাশি কয়েকজন আমলার বিরুদ্ধে এফআইআর করবেন তিনি। শতদ্রু মনে করছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে মেসির ইভেন্টে নিরাপত্তায় গাফিলতি করা হয়েছিল। সেকারণে রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজির বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করবেন তিনি। বিধাননগর থানায় এই অভিযোগ দায়েরের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই অরূপের বিরুদ্ধে মোট ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন শতদ্রু।
