প্রথমে সরঞ্জাম চুরির ঘটনা। তারপর প্রকৃতির রোষ। বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়েছেন হ্যারি কেনরা। ফলে বারবার ব্যাহত হচ্ছে ইংল্যান্ডের (England Football Team) প্রস্তুতি। 'দ্য থ্রি লায়ন্স'দের প্রস্তুতি শিবির চলছে আমেরিকার কানসাস সিটিতে। তার কাছাকাছি এলাকায় টর্নেডোর দাপটে বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে। ফলে হোটেলেই আটকে থাকতে হয় ইংরেজ ফুটবলারদের।
সেই সময় হোটেলে বসে স্কটল্যান্ড বনাম হাইতির ম্যাচ দেখছিলেন ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। হঠাৎ তাঁদের মোবাইলে সতর্কবার্তা আসে। জানানো হয়, ঘণ্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইছে। টর্নেডোর কারণে আশপাশের এলাকায় একাধিক গাছ উপড়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কাউকে হোটেল থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক ঘণ্টা নিজেদের ঘরেই বন্দি থাকতে হয় ইংল্যান্ড দলের সদস্যদের।
অথচ মাত্র দু’ঘণ্টা আগেই কানসাস সিটির সুয়োপ সকার ভিলেজে অনুশীলন করেছিলেন কেনরা। তখন তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যে এমন প্রকৃতি যে এমন ভোলবদল করবে, তা কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। ইংল্যান্ড দলের এক ফুটবলার বলেন, “কয়েক ঘণ্টা আগেও ঝলমলে রোদ ছিল। আবহাওয়াও দারুণ ছিল। এত অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা ভাবতেই পারিনি। সত্যিই অদ্ভুত! আমাদের হোটেলে থাকতে বলা হয়েছিল। সেটাই করেছি।”
আমেরিকায় টর্নেডো নতুন কিছু নয়। ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের কাছে এমন পরিস্থিতি নতুন। সেই কারণেই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ১৮ জুন সময় রাত দেড়টায় ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে টমাস টুখেলের দল। এরপর ২৪ জুন একই সময়ে ঘানার বিরুদ্ধে এবং ২৮ জুন রাত আড়াইটের সময় পানামার বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের বাকি দু'টি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড।
