ইস্টবেঙ্গল ৫ (রামিরেজ, রশিদ, বিপিন, হার্দিক, ডেভিড)
সাউথ ইউনাইটেড ০
একচেটিয়া দাপট দেখিয়ে সাউথ ইউনাইটেডকে হেলায় হারাল লাল-হলুদ। এটিই ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। এই সাউথ ইউনাইটেড আবার শেষ ম্যাচে মোহনবাগানের কাছে ০-৮ গোলে হেরেছিল। তাই দেখার ছিল এই ম্যাচে আন্তোনিও হাবাসের দল কত গোলে জেতে। তবে ৮ গোল দিতে না পারলেও মশাল বাহিনী জিতল ৫-০ গোলে।
শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় মিনিটেই পরপর দু'টি সুযোগ তৈরি হয়। তার পর সপ্তম মিনিটে রশিদের পাস থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে দুরন্ত দূরপাল্লার শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দানি রামিরেজ। গোলের পরেও আক্রমণের ধার কমেনি। জেসিন টিকে, দানি ও বিষ্ণুদের চাপে বারবার নড়বড়ে দেখায় সাউথ ইউনাইটেডের রক্ষণ। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রশিদ। দানির কর্নার থেকে এডমুন্ডের দুরন্ত ফ্লিক থেকে হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ২৯ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়েও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পিভি বিষ্ণু। প্রথমার্ধে মাঠজুড়ে খেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ৮৬ শতাংশ বলের দখল ছিল তাদের। তারা গোলমুখী শট নিয়েছিল ২১টি।
নিজস্ব চিত্র।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের ছবি বদলায়নি। যদিও ৫৪ মিনিটে আলতাব হোসেনের দূরপাল্লার শট তেকাঠির মধ্যে না থাকায় বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচে ইস্টবেঙ্গল। ৬৮ মিনিটে আবারও নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন জেসিন টিকে। শেষ পর্যন্ত ৭৩ মিনিটে হার্দিক ভাটের জোরালো দূরপাল্লার শটে তৃতীয় গোল আসে। গোলকিপারের হাতে লেগেও বল জালে ঢুকে যায়। ৮১ মিনিটে ইকোনোমিডিসের পাস ডিফেন্ডারের মাথায় লেগে পৌঁছে যায় বিপিন সিংয়ের কাছে। তিনি হেডে গোল করে ৪-০ ব্যবধান নিশ্চিত করেন।
শেষ বাঁশি বাজার কিছুক্ষণ আগে সাউথ ইউনাইটেডের ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে বক্সের মধ্যে দুরন্ত শটে গোল করেন ডেভিড লালহানসাঙ্গা। ৫-০ গোলে জিতে এএফসি ম্যাচের আগে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল মশাল ব্রিগেড।
