বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) বেশি সুবিধা পাচ্ছে আর্জেন্টিনা! বিপক্ষ সমর্থকদের এই অভিযোগ নতুন নয়। পেনাল্টি বা ফাউলের বহু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। এবার স্বয়ং ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মন্তব্যে শুরু বিতর্ক। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে মেসিদের ম্যাচের পর ইনফান্তিনোর বক্তব্য শুনে ফের উঠছে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।
রাউন্ড অফ ৩২-র ম্যাচে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে বহু কষ্ট করে জিততে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। দু'বার পিছিয়ে পড়েও কামব্যাক করেন ভোজিনহারা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জেতেন লিওনেল মেসিরা। কিন্তু এটা ঠিক যে, রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল নীল-সাদা জার্সিধারীদের ভক্তদের মধ্যে। ম্যাচের পর এক আর্জেন্তিনীয় সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ইনফান্তিনো বলেন, "আজ রাতে আমিও আর্জেন্টিনার মতো ভুগেছি। তবে আমি নিরপেক্ষ।"
তাতেই বিতর্কের সূত্রপাত। ফিফা প্রেসিডেন্ট নিজেকে 'নিরপেক্ষ' দাবি করছেন ঠিকই। তবে কীভাবে একটি বিশেষ দলের জন্য তিনি 'কষ্ট পান'? এটা কি 'নিরপেক্ষতা'র লক্ষণ? নেটিজেনরা খোঁচা দিতে ছাড়ছে না। কেউ তাঁকে 'নির্লজ্জ' বলছেন। কারও বা অভিযোগ, ২০২২ সালেও 'অন্যায়ভাবে' আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো হয়েছে।
এবারও অভিযোগের কমতি নেই। শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ মিশর। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে সামনে পড়বে সুইজারল্যান্ড বা কলম্বিয়া। সেমিফাইনাল পর্যন্ত তুলনায় কম কঠিন প্রতিপক্ষ। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, ইচ্ছা করে এরকম সূচি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে আর্জেন্টিনা 'দুর্বল' প্রতিপক্ষ পায়। এছাড়া আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফাউল করেন মেসি। রিপ্লেতে দেখা যায়, মেসির বুটের স্টাড আলজেরিয়ার মান্ডির ডান পায়ের কাফ মাসল ও আখিলিস টেন্ডনের মাঝামাঝি অংশে লেগেছে। মাঠের রেফারি সাইমন মারচিনাক মেসিকে শাস্তি দেননি। এমনকী ভিএআর-এর দ্বারস্থও হননি। সেই বিতর্কের মধ্যেই ফিফা প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে ফুঁসছে বিপক্ষ দলের সমর্থকরা।
