রাষ্ট্রপ্রধানের নির্দেশে বাতিল হয়ে যাচ্ছে ফুটবলারের লাল কার্ড! ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'অনুপ্রেরণা'য় এবার আসরে নামছে ইংল্যান্ড-ফ্রান্স। সূত্রের খবর, দুই দেশই এবার রাজনৈতিকভাবে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করছে যেন তাদের দেশের ফুটবলারদের শাস্তি কমিয়ে দেওয়া যায়। যদিও মার্কিন চাপে ফুটবলারের লাল কার্ড বাতিলের নিন্দা চলছে গোটা বিশ্বে। এমনকী কার্ড বাতিলের সিদ্ধান্তটিকে 'এপ্রিল ফুল' ভেবে উড়িয়েও দিয়েছিল বেলজিয়াম শিবির।
বসনিয়া এবং হারজেগোভিনার বিরুদ্ধে শেষ বত্রিশের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান। নিয়ম অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সাসপেন্ড থাকতেন। কিন্তু তাঁর শাস্তি তুলে নেয় ফিফা। এক বছরের জন্য সেই সাজা পিছিয়ে দেয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। জানা যায়, ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প স্বয়ং। তারপরেই লাল কার্ড প্রত্যাহার এবং সোশাল মিডিয়ায় ফিফাকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ জ্ঞাপন।
এই ঘটনা শুনেই মজার ছলে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল বলেন, তাহলে কি হ্যারি কেন ফোন করে পরামর্শ চাইবেন ট্রাম্পের থেকে? কীভাবে লাল কার্ড প্রত্যাহার করানো যায়? বাস্তবে কিছুটা সেরকমই পদক্ষেপ করল ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ এমপি নোয়া ল এবং মেলানি অন চিঠি লিখেছেন, যেন ইংল্যান্ড তারকা জ্যারেল কুয়ানশার লাল কার্ড প্রত্যাহার করা হয়। ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েছেন একঝাঁক ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ। ফিফার কাজের ব্যাখ্যা চেয়েছে ব্রিটেনের এক সংসদীয় কমিটিও।
অন্যদিকে ফ্রান্সও সরব হয়েছে মাইকেল ওলিসের হলুদ কার্ড নিয়ে। জানা গিয়েছে, ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন ইতিমধ্যেই ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েছে তারকা ফুটবলারের কার্ড বাতিল করে দেওয়ার জন্য়। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ফ্রান্স। ওই ম্যাচেও যদি ওলিসে হলুদ কার্ড দেখেন তাহলে সেমিফাইলে দল উঠলেও ওলিসে খেলতে পারবেন না। গোটা বিষয়টি তুলে ধরে ফ্রান্সের আবেদন, বালোগানের মতোই বাতিল হোক ওলিসের কার্ডও। ফ্রান্স-ইংল্যান্ড দুই শিবিরেরই দাবি, এক ফুটবলারের কার্ড বাতিল হলে অন্যদেরও একই সুবিধা দেওয়া উচিত।
