আর কদিন পরই ফুটবল বিশ্ব মাতাবেন তাঁরা। গোটা দুনিয়া তাঁদের মুগ্ধ হয়ে দেখবে। আর সেই কিলিয়ান এমবাপেকে কি না 'ধমক' শুনতে হল বলে হেড করেননি বলে। অবশ্য ফরাসি তারকার পাশে দাঁড়ালেন অনেক ফুটবল তারকা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, আর্লিং হালান্ড, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ভার্জিল ভ্যান ডাইক- সবাই তাঁর হয়ে লড়াই করলেন। আর এই লড়াই দেখতে হাজির কিম কার্দাশিয়ান। বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) আগে ঠিক কী ঘটল?
একটি ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপনী শুটিং করছিলেন ফুটবলাররা। সেখানে একটি বাইসাইকেল কিক মারেন এমবাপে। আর তাতেই বেজায় চটে যান পরিচালক। কেন হেড করলেন না এমবাপে? স্ক্রিপ্টের বাইরে কেন গেলেন ফরাসি ফুটবলার? সবার সামনেই এমবাপেকে অপমান করা শুরু করেন। শুধু এমবাপে নয়, ভিনি, জামাল মুসিয়ালা ও ব্রুনো ফার্নান্দেজদের উদ্দেশ্যেও কটূক্তি করা শুরু করেন ওই পরিচালক। রীতিমতো চিৎকার করতে শুরু করেন তিনি।
প্লেয়াররাও আর চুপ করে বসে থাকেননি। মুখে নয়, প্রতিবাদ শুরু করেন পা দিয়ে। 'স্ক্রিপ্টের বাইরে' গিয়েই নিজেদের স্কিল দেখানো শুরু করেন। শুটিংয়ের জায়গা ছেড়ে বল নিয়ে বেরিয়ে যান স্পেনের নিকো উইলিয়ামস, উরুগুয়ের ফেদে ভালভের্দেরা। এবার যোগ দেন ভিনি। নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁদের পায়ের তলা দিয়ে বল কাটিয়ে বেরিয়ে যান। পাশের সেটের একাধিক শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে প্রবেশ রোনাল্ডোর। লোকে তাঁর 'বিদায়' নিয়ে চর্চা করলেও ঝড় তুলে দিলেন তিনি। এর মধ্যে একটা সেটে আগুন লেগে গেলেও বহাল তবিয়তে বেরিয়ে আসেন পর্তুগিজ কিংবদন্তি। শেষমেশ সাইড ভলিতে গোল করেন হালান্ড।
আসলে পুরোটাই বিজ্ঞাপন। যার নাম- 'আরআইপি দ্য স্ক্রিপ্ট'। অর্থাৎ চিত্রনাট্যের মৃত্যু। সোজা কথায় ফুটবলাররা নিজেদের ছন্দে থাকবেন, কোনও ভাবে তাঁদের বাঁধা যাবে না। এই বিজ্ঞাপনে ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার জলাটান ইব্রাহিমোচিভ, দিদিয়ের দ্রোগবা, এরিক কঁতোনারা। এছাড়া বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমস, বিনোদনের দুনিয়ায় কিম কার্দাশিয়ান, গায়ক ট্র্যাভিস স্কট, গায়িকা লা লিসা। একেবারে চাঁদের হাট। কিন্তু প্রশ্ন হল, এত তারকা সত্যিই একত্রিত হয়েছিলেন? নাকি পুরোটাই এআই দিয়ে তৈরি?
