বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ইতিমধ্যেই সেদেশে পৌঁছে গিয়েছেন হ্যারি কেনরা। তবে মেক্সিকো পৌঁছে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে ব্রিটিশ ফুটবলারদের। যদিও সেসব ছাপিয়ে আলোচনা অন্য বিষয়ে। মেক্সিকোকে হারাতে ভায়াগ্রা খেয়ে নামার অনুমতি পেয়েছেন হ্যারি কেনরা।
জানা গিয়েছে, গোলরক্ষক জর্ডন পিকফোর্ড, জুড বেলিংহ্যাম ও বুকায়ো সাকা-সহ ইংল্যান্ডের কয়েকজন ফুটবলারকে প্রয়োজনে ভায়াগ্রা দেওয়া হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এস্তাদিও অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,৩৫০ ফুট উচ্চতায়। এত উচ্চতায় অক্সিজেনের ঘনত্ব কম থাকায় খেলোয়াড়দের দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এই পরিস্থিতিতে শরীরে রক্তপ্রবাহ ও অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করতে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।
ভায়াগ্রা খেলাধুলায় নিষিদ্ধ নয়। ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির নিয়ম অনুযায়ী, এটি নিষিদ্ধ পদার্থের তালিকায় নেই। ফলে ফিফাও এর ব্যবহারে কোনও আপত্তি জানায়নি। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের হোটেলের বাইরে বিপুল সংখ্যক মেক্সিকো সমর্থক জড়ো হয়ে ‘মেক্সিকো, মেক্সিকো’ স্লোগান দিতে থাকেন। ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন ফুটবলারদের উদ্দেশে কটূক্তিও করেন। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, দলের বাস হোটেলে ঢুকতে কিছুটা সময় লেগে যায়। বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাওয়ার পথেও কয়েক জায়গায় সাময়িকভাবে যানচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। যদিও কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ইংল্যান্ড দলকে হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে রাউন্ড অফ ৩২-এ ইকুয়েডরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছিল। ম্যাচের আগের রাতে তাদের হোটেলের সামনে শত শত মেক্সিকো সমর্থক জড়ো হয়ে চিৎকার, বাদ্যযন্ত্র বাজানো এবং গাড়ির হর্ন বাজিয়ে ফুটবলারদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করেন। পরে ইকুয়েডর বিষয়টি নিয়ে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানায়। ইংল্যান্ড চাইছিল তাদের হোটেলের অবস্থান গোপন রাখা হোক। যদিও তা প্রকাশ্যে চলে আসায় কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। এখন অন্তত অনুশীলনের ভেন্যু গোপন রাখা হবে বলেই আশা করা হচ্ছে, যাতে প্রস্তুতিতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড ও মেক্সিকোর প্রিকোয়ার্টার রয়েছে ৬ জুলাই, ভারতীয় সময় ভোর ৫.৩০ মিনিটে।
