স্টেডিয়ামের সিকিওরিটি ডিপোজিট দেওয়া হয়নি। এই কারণে ভারতীয় কোচ খালিদ জামিল-সহ সাহাল আবদুল সামাদ, আশিক কুরুনিয়ান ও বিজয় ভার্জেসকে কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ঢুকতেই দেওয়া হল না বৃহস্পতিবার! এদিন হংকং ম্যাচ নিয়ে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে একটি সাংবাদিক বৈঠক করার কথা ছিল জাতীয় কোচের। কোচির এই স্টেডিয়ামেই ৩১ মার্চ এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের হংকং ম্যাচ খেলতে নামবেন সামাদরা।
নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও জাতীয় দলের ম্যাচ হওয়ায় দেশের মান-সম্মান জড়িয়ে আছে এই ম্যাচটির সঙ্গে। আসলে নিয়ম অনুযায়ী এই ম্যাচের জন্য স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ গ্রেটার কোচিন ডেভলপমেন্ট অথরিটিকে বাধ্যতামূলক সিকিওরিটি ডিপোজিট দেওয়ার কথা কেরালা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের। কিন্তু সেই অর্থ না পাওয়াতেই জিসিডিএ বৃহস্পতিবার খালিদ জামিলকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেয়নি। সূত্রের খবর, গ্রেটার কোচিন ডেভলপমেন্ট অথরিটির সঙ্গে কেরালা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বকেয়া অর্থ নিয়ে একটি বিবাদ চলছে। যদিও এই ঘটনার পর ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেরালা ফুটবল সংস্থার উপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাদের আশা, পরিকল্পনামাফিকই এএফসি কাপের ভারত-হংকং ম্যাচটি সুষ্ঠভাবে আয়োজন করা যাবে।
এমনিতেই এশিয়ান কাপের মূলপর্বে যাওয়ার আর কোনও আশা নেই ভারতের। ভারতীয় ফুটবল দলের পারফরম্যান্স সাম্প্রতিক সময়ে খুবই খারাপ। তার উপর এই ধরনের একের পর এক ঘটনায় যেন জেরবার ফেডারেশন। যার ফলে এক একটি করে এমন ঘটনা ঘটছে আর ফেডারেশনকে বিবৃতি দিয়ে তার মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নানা কারণে বিতর্কে জড়িয়েছে ফেডারেশন। এশিয়ান কাপে নামার আগে জার্সি বিভ্রাটে পড়েন ব্লু টাইগ্রেসরা। ম্যাচের মাত্র দু’দিন আগে টিম হোটেলে পৌঁছয় ভারতীয় দলের জার্সি। কিন্তু ফুটবলারদের ৮০ শতাংশের গায়েই আঁটেনি সেই পোশাক। কয়েকদিন আগে বয়স ভাঁড়িয়ে খেলার অভিযোগ ওঠে ফেডারেশনেরই অ্যাকাডেমির বিরুদ্ধে। কিন্তু এশিয়ান কাপে নামার আগে স্থানীয় তিন ফুটবলারকে নিয়ে গিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারলেন না দেশের কোচ, এটা সত্যি লজ্জার বিষয়।
