চোট লেগেছে বা হাঁটুতে। পরীক্ষা হল ডান হাঁটুতে। স্বাভাবিকভাবেই ফলাফল এল ফিট। ব্যস, 'ফিট' ঘোষণা করে খেলার সার্টিফিকেট দিল মেডিক্যাল টিম। কাকে? এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ফ্রান্সের বিশ্বজয়ী ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপেকে। আর এই আজব চিকিৎসা করল কারা? ১৩টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদের ক্লাব। অদ্ভুত হলেও এই ঘটনার সাক্ষী থাকল ফুটবল দুনিয়া। অন্যদিকে অভিযোগ উঠছে, চ্যাটজিপিটি দেখে পথ্য দেন রিয়ালের ডাক্তাররা।
ঘটনাটি এখন সামনে এলেও তা ঘটেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। সেল্টা ভিগোর কাছে ০-২ গোলে হারার পর জানা যায় এমবাপের হাঁটুতে চোট লেগেছে। এর পরের দু'টি ম্যাচে এমবাপেকে খেলানো হয়নি। কিন্তু তারপরের তিনটি ম্যাচে তাঁকে খেলানো হয়। বড়দিনের ছুটির পর যখন এমবাপে রিয়ালে ফিরে আসেন, তখন জানা যায় বাঁ হাঁটুতে পুরনো চোট ফিরে এসেছে। দু'টো ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়ার পর ফের নিয়মিত খেলানো হয়।
পুরো ঘটনা জানতে পেরে রেগে যান খোদ রিয়াল তারকাও। তবে সব দিক সামাল দিয়েই এখন তিনি বলছেন, "আমার হাঁটু ভালো আছে। আমার সৌভাগ্য যে প্যারিসে এসে ঠিকঠাক চিকিৎসা হয়েছে।"
কিন্তু ডিসেম্বরের শেষে তিনটি ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট নিয়েই খেলেছিলেন ফরাসি তারকা। প্রাথমিকভাবে চোট গুরুতর না হওয়ায় তিনিও খুব একটা আমল দেননি। এদিকে ওই সময় তাঁর ডানপায়ের স্ক্যান করে রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল টিম। সেখানে কোনও চোট-আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ২৭ বছর বয়সি ফুটবলারকে ফিট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। ওই তিন ম্যাচে খেলে এমবাপের বাঁ হাঁটুর অবস্থা আরও খারাপ হয়। অবশেষে বাঁ হাঁটুর এমআরআই করার পর জানা যায়, গুরুতর সমস্যা আছে। প্রায় ২০ দিন বিশ্রামের পর ফের মাঠে নামেন এমবাপে।
পুরো ঘটনা জানতে পেরে রেগে যান খোদ রিয়াল তারকাও। তবে সব দিক সামাল দিয়েই এখন তিনি বলছেন, "আমার হাঁটু ভালো আছে। আমার সৌভাগ্য যে প্যারিসে এসে ঠিকঠাক চিকিৎসা হয়েছে। তবে এই নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। কিন্তু এটাই এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ের অ্যাথলিটের জীবন।" সামনে বিশ্বকাপ। সেখানে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এমবাপেই। তবে রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল টিম নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। এর আগে সরিয়ে দেওয়া হয় মহিলা নিউট্রিশনিস্ট ইতজিয়ার গঞ্জালেসকে। তখন তিনি বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে 'দলবাজি' হয়েছে। এখন তিনি ফের অভিযোগ তুলছেন, রিয়ালের মেডিক্যাল টিম চ্যাটজিপিটি'র সাহায্য নিয়ে পথ্য দেন।
