মোহনবাগান শুক্রবার মুম্বই সিটি এফসির কাছে হারের পরই ইস্টবেঙ্গল পরের ম্যাচের জন্য বাড়তি উদ্যমী হয়ে উঠেছে। কারণ, এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল এক ম্যাচ কম খেলে পাঁচ পয়েন্ট পিছনে রয়েছে মোহনবাগানের। পরের ম্যাচে বিদেশিহীন মহামেডানকে হারিয়ে দিতে পারলেই সেই ব্যবধান গিয়ে দাঁড়াবে মাত্র দুই পয়েন্টের। এই পরিসংখ্যানটাই উজ্জীবিত করে তুলেছে অস্কার ব্রিগেডকে।
এমন পরিস্থিতিতে মহামেডান ম্যাচ পাখির চোখ করছেন অস্কার ব্রুজো। এদিনও অনুশীলন শুরু আগে ফুটবলারদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন অস্কার। দুই দিন আগেই ইমামি কর্তা বিভাস আগরওয়াল এসেও দলকে উদ্বুদ্ধ করে গিয়েছেন। এখনও যে লিগ পুরোপুরিভাবেই ওপেন সেটা মানছেন সব বিশেষজ্ঞই। এদিন দলকে দীর্ঘক্ষণ সেটপিস অনুশীলন করালেন অস্কার। বিদেশিহীন মহামেডানের বিরুদ্ধে হয়তো প্রথম একাদশে ডবল স্ট্রাইকারে যেতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। সে ক্ষেত্রে ইউসেফের সঙ্গী হিসাবে ডেভিডের থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
এদিকে, মহামেডানের এই ম্যাচে হারানোর কিছু নেই। ধারে-ভারে ইস্টবেঙ্গলের থেকে অনেক কম বাজেটের দল হলেও মহামেডান কোচ মেহরাজউদ্দিনের অস্ত্র তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে লড়াই করে যাওয়া। আপাতত সোমবারের ম্যাচে তাঁর চিন্তা বাড়িয়েছে দলের দুই নির্ভরযোগ্য ফুটবলারের চোট। হীরা মণ্ডল ও ইসরাফিল দেওয়ানের চোট রয়েছে। তাঁদের সোমবার পাওয়া যাবে কি না তা জানা যাবে রবিবারের অনুশীলনের পর। মহামেডান কোচ আশাবাদী এই দুই ফুটবলারকে পাওয়ার বিষয়ে। এই মুহূর্তে মহামেডান রয়েছে লিগ টেবিলের একেবারে শেষ স্থানে। চার ম্যাচে তাঁরা চারটেতেই হেরে গিয়েছে। এর মধ্যে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে প্রথমে গোল করেও শেষ পর্যন্ত পাঁচ গোল খেয়েছিল ইসরাফিলরা। এই ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন সাদা-কালো ব্রিগেডের তরুণ ফুটবলাররা। এই ম্যাচে কোনওমতে আনোয়ার আলিদের আটকে দিতে পারলে অনেকটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে নিতে পারবে তারা।
