shono
Advertisement
Mohun Bagan

ইস্টবেঙ্গলের খেতাব জয়ের দিনে সম্মানরক্ষার জয় মোহনবাগানের, ভূরি ভূরি মিসে 'ভিলেন' কামিন্সরা

গোলপার্থক্যের নিরিখে লিগের রানার্স হয়ে শেষ করতে হল সের্জিও লোবেরারা ছেলেদের। 
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:43 PM May 21, 2026Updated: 10:54 PM May 21, 2026

মোহনবাগান: ২  (মনবীর, ম্যাকলারেন)
এসসি দিল্লি: ১ (ক্লারেন্স)

Advertisement

লিগ জয়ের অঙ্কটা বেশ কঠিনই ছিল। প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল গোলপার্থক্যের নিরিখে যে উচ্চতায় আসীন ছিল, সেটা ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে লিগ জয়ের জন্য না হোক, অন্তত সম্মানজনকভাবে লড়াই শেষ করার জন্য নিজেদের শেষ ম্যাচটা জিততে হত মোহনবাগানকে (Mohun Bagan)। বৃহস্পতিবার জ্যাসন কামিন্সরা সেই কাজটা করলেন বটে, কিন্তু মোটেই সুশ্রী ফুটবল খেলে নয়, কোনওক্রমে অখ্যাত দিল্লি এফসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠ ছাড়লেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। ফলে গোলপার্থক্যের নিরিখে লিগের রানার্স হয়ে শেষ করতে হল সের্জিও লোবেরারা ছেলেদের।

কোচ সের্জিও লোবেরা জানতেন, লিগ জয় সম্ভব হোক বা না হোক, শেষ ম্যাচটা অন্তত বড় ব্যবধানে জিততে পারলে কিছুটা অন্তত মাথা উঁচু করে মাঠ ছাড়া যাবে। সেই লক্ষ্যে রীতিমতো আক্রমণাত্মক দল সাজিয়েছিলেন তিনি। প্রথম একাদশেই একসঙ্গে নামিয়ে দেন কামিন্স, ম্যাকলারেন এবং দিমিত্রিকে। সেই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলও খেলছিলেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। কিন্তু গোটা মরশুম যে সমস্যা ভুগিয়েছে সের্জিও লোবেরার ছেলেদের, সেটা আজও ভোগাল। গোলের মুখে একের পর এক সুযোগ নষ্ট। প্রথমার্ধে শুধু জ্যাসন কামিন্স অন্তত গোটা তিনেক অতি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন।

অবশ্য পিছিয়ে ছিলেন না অন্য তারকাররাও। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে যেমন গোটা ম্যাচ সেভাবে দেখাই গেল না। ম্যাকলারেনও সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন।মনবীর-সাহালরাও কম যান না। এসবের মাঝে একাধিকবার কাউন্টার অ্যাটাকে ভালো সুযোগ তৈরি করেছে দিল্লি এফসিও। ম্যাচের ৬২ মিনিটে তেমনই এক সুযোগ থেকে গোল করে ফেললেন দিল্লির ক্লারেন্স ফার্নান্ডেজ। সেসময় মনে হচ্ছিল, লিগজয় তো দূর, উলটে শেষ ম্যাচে লজ্জার হার দিয়ে না মাঠ ছাড়তে হয় সবুজ-মেরুন শিবিরকে। কিন্তু সেই আশঙ্কা শেষ মুহূর্তে গিয়ে কাটল। প্রথমে ৮৯ মিনিটে মনবীর সিং দুর্দান্ত একটি হেডারে গোল করে সমতা ফেরালেন, তারপর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জ্যামি ম্যাকলারেন গোল করে জয় এনে দিলেন সবুজ-মেরুন শিবিরকে।

জয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গলের মতো মোহনবাগানও শেষ করল ২৬ পয়েন্টে। কিন্তু দিনের শেষে গোলপার্থক্যের নিরিখে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই প্রশ্ন উঠছে, শুরু থেকে যে কটা সুযোগ মোহনবাগান (Mohun Bagan) পেয়েছিল, সবগুলি কাজে লাগানো গেলে কী ফলাফল অন্যরকম হতে পারত না? অবশ্য সুযোগ নষ্ট এই প্রথম নয়, গোটা মরশুমেই সহজ-সহজ বহু সুযোগ নষ্ট করেছেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। সেটারই খেসারত দিতে হল মোহনবাগানকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement