সম্ভাবনা ছিলই। সেটাই ঘটল। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে হেরে আসন্ন বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল ইটালি। এরপর প্রশ্ন উঠেছিল কোচ জেনারো গাত্তুসোর ভবিষ্যৎ নিয়ে। তখন গাত্তুসো বলেছিলেন, "এই বিষয়ে আলোচনা করার সময় এটা নয়।” কিন্তু দ্রুতই আজুরিদের কোচ হিসাবে নিজের ভবিষ্যতের কথা জানিয়ে দিলেন গাত্তুসো।
টানা তিনবার বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনে ইটালির জাতীয় দলের ব্যর্থতার জেরে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। টানা তিনবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। চারিদিকে তুমুল সমালোচনা। সমর্থকরা ক্ষিপ্ত। এরই মধ্যে সমালোচনার কারণে প্রবল চাপে পড়ে গতকালই ইটালির ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন গ্যাব্রিয়েল গ্রাভিনা এবং দলের জেনারেল ম্যানেজার গিয়ানলুইগি বুফোঁ। এবার সরলেন কোচ।
তাঁর সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছে এফআইজিসি। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পারস্পরিক সমঝোতায় গাত্তুসো সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইটালির ফুটবল ফেডারশেন এক বিবৃতিতে একথা জানিয়ে গাত্তুসো জাতীয় দলের প্রতি নিষ্ঠা এবং আবেগের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
গাত্তুসো বলেছেন, "ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা একটা লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমেছিলাম। কিন্তু লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছি।" এই ডামাডোলের মধ্যেই আবার উয়েফার তরফে ইটালিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ২০৩২ ইউরো যৌথভাবে তুরস্কের সঙ্গে আয়োজন করার কথা ইটালির। উয়েফা বলেছে, ‘‘২০৩২ ইউরো আয়োজনের জন্য ইটালির স্টেডিয়ামগুলির উন্নয়ন জরুরি।’’ উয়েফা প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার সেফেরিন বলেছেন, “আশা করব, ইটালির স্টেডিয়ামগুলির যথাযথ সংস্কার করা হবে। যদি তা না হয়, তা হলে ২০৩২ ইউরো ইটালিতে করা সম্ভব হবে না।”
