যুদ্ধের দাবায় থমকাল ফুটবল। এবার বন্ধ বহুপ্রতীক্ষিত ফিনালিসিমা। ২৭ মার্চ ইউরো জয়ী স্পেন ও কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধের জন্য কাতারে এই মহামোকাবিলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর ফুটবল বিশ্বকাপ। ফলে আদৌ লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের দ্বৈরথ কোনও দিন দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মিলিতভাবে হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আক্রমণ চালিয়েছে। সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এখন যুদ্ধের কালো মেঘ। খেলাধুলো পুরোপুরি বন্ধ। এই অবস্থায় যে কাতারে ফিনালিসিমা করা সম্ভব নয়, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। মাঝে জল্পনা ছড়ায়, স্পেনের সান্তিয়াগো বের্নাব্যুতে আর্জেন্টিনা-স্পেন মুখোমুখি হতে পারে, কিন্তু এবার ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ফিনালিসিমা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।
সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এখন যুদ্ধের কালো মেঘ। এই অবস্থায় যে কাতারে ফিনালিসিমা করা সম্ভব নয়, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। মাঝে জল্পনা ছড়ায়, স্পেনের সান্তিয়াগো বের্নাব্যুতে আর্জেন্টিনা-স্পেন মুখোমুখি হতে পারে, কিন্তু এবার ফিনালিসিমা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।
উয়েফার তরফ থেকে যা জানানো হয়েছে তার সারমর্ম হল, তারা যে বিকল্পগুলো ভেবেছিল, আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা তার সঙ্গে একমত হতে পারছে না। বেনার্ব্যুতে দু'দলের সমর্থকদের জন্য সমান সংখ্যক আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও আর্জেন্টিনা রাজি নয়। আরেকটা প্রস্তাব ছিল, যদি ফিনালিসিমা দু'লেগে করা যায়। একটা স্পেনে, একটা আর্জেন্টিনায়। তাও খারিজ হয়ে যায়। এছাড়া বিকল্প তারিখ হিসেবে ৩০ মার্চের কথা হয়েছিল। সেটাতেও কেউ রাজি হয়নি। বরং আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, বিশ্বকাপের পর ফিনালিসিমা আয়োজন করতে। কিন্তু তাতে স্পেন রাজি নয়। অতএব, উয়েফা এই ম্যাচটি বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে হয় ফিনালিসিমা। এক ম্যাচেই নির্ধারিত হয় চ্যাম্পিয়ন। আর্জেন্টিনা গতবারও এই ট্রফি জিতেছিল। অন্যদিকে মেসি আর ইয়ামালের কখনও একসঙ্গে খেলা হয়নি। ২০২৩-এ যখন স্পেনের কিশোরের গায়ে বার্সেলোনার জার্সি ওঠে, ততদিনে মেসি স্পেনের ক্লাবের সঙ্গ ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে মেসি-ইয়ামাল দ্বৈরথ নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে ছিল। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। এরপর জুন-জুলাইয়ে বিশ্বকাপ। তারপর মেসি আর নীল-সাদা জার্সিতে খেলবেন কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন। ফলে ফুটবলপ্রেমীরা আশঙ্কায়, আদৌ কোনও দিন মেসি-ইয়ামালকে একসঙ্গে খেলতে দেখা যাবে কি না।
