চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে ফের নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল প্যারিস সাঁ জাঁ। দুই লেগ মিলিয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে পৌঁছে গেল ফরাসি ক্লাব। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ শেষ হল ১-১ অমীমাংসিত অবস্থায়। তবে প্রথম লেগে জয়ের ফলে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে গেল পিএসজি। এবার ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তাদের সামনে আর্সেনাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় পিএসজিকে। মাত্র তিন মিনিটের মাথায় পালটা আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে। বাঁদিক থেকে খিভিচা কাভারাস্কেলিয়ার নিখুঁত পাস থেকে জালে বল জড়ান ফরাসি তারকা। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও বায়ার্ন বলের দখল নিজেদের কাছে রাখার চেষ্টা করে। যদিও মাইকেল ওলিসে, হ্যারি কেন এবং জোশুয়া কিমিচ একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় পিএসজিকে। মাত্র তিন মিনিটের মাথায় পালটা আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে। বাঁদিক থেকে খিভিচা কাভারাস্কেলিয়ার নিখুঁত পাস থেকে জালে বল জড়ান ফরাসি তারকা।
প্রথমার্ধে পেনাল্টির দাবিও তোলে বায়ার্ন শিবির। ভিতিনিয়ার ক্লিয়ারেন্স জোয়াও নেভেসের হাতে লাগলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি। এর আগেও নুনো মেন্ডেসের একটি হ্যান্ডবলের ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেখানো নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল বাভারিয়ানদের মধ্যে। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল নেয় পিএসজি। তবে সুযোগ পেলেই দ্রুত পালটা আক্রমণে উঠছিল তারা। একাধিকবার দুরন্ত সেভ করে বায়ার্নকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন ম্যানুয়েল ন্যুয়ের। শেষ দিকে মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মান ক্লাব। ইনজুরি টাইমে হ্যারি কেন গোল করে ব্যবধান কমালেও ব্যবধান বাড়ানো সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা সাত ম্যাচে গোল করার নজির গড়েও ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হল ইংল্যান্ড অধিনায়কের।
ম্যাচ শেষে পিএসজির তরুণ ফুটবলার দেসিরে দুয়ে বলেন, “এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য একটা রাত। মিউনিখের মতো কঠিন মাঠে এমন ম্যাচ জেতা বিশেষ অনুভূতি। ছোটবেলা থেকে এই ধরনের ম্যাচ খেলার স্বপ্ন দেখেছি। এখন আমরা পুরো দল মিলে এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে চাই।”
অন্যদিকে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। বিশেষ করে নুনো মেন্ডেসের হ্যান্ডবলের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “বল শরীরে লেগে হাতে লাগেনি। সরাসরি হাতেই লেগেছে। নিয়ম যাই বলুক, আমার কাছে সিদ্ধান্তটা হতাশাজনক। এই ধরনের মুহূর্ত ম্যাচের ফল বদলে দেয়।” তিনি আরও বলেন, “শেষ পর্যন্ত আমরা এক গোলের ব্যবধানে হেরেছি। সেই হতাশা থাকবেই। তবে বেশি দিন তা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। পিএসজি অসাধারণ ডিফেন্ড করেছে। ক্রস আটকানো এবং ডিফেন্সের পিছনের জায়গা সামলানোয় ওরা দারুণ ছিল।”
