দু’জনেই নিজের নিজের দলে মাঝমাঠে বড় ভরসা। আইএসএলের শুরুর দিকে তা বোঝাও গিয়েছে বারবার। তবে ছন্দপতনও হয়েছে। কয়েকটা ম্যাচ খেলার পরই চোট নিয়ে মাঠের বাইরে গিয়েছেন তাঁরা। ইস্টবেঙ্গলের সল ক্রেসপো এবং মোহনবাগানের রবসন রবিনহো। অবশ্য দুই শিবিরের দুই তারকার চোটের বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন।
সোমবারও দলের সঙ্গে পুরো অনুশীলন করতে পারেননি রবসন। মোহনবাগান ফিজিওর কাছে দীর্ঘক্ষণ রিহ্যাব করেছেন তিনি। শনিবার অ্যাওয়ে ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মোহনবাগানের এই বিদেশি খেলতে পারবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়। যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে বল পায়ে অনুশীলন না শুরু করতে পারেন রবসন, তাহলে ওড়িশা ম্যাচের মতোই এই ম্যাচেও তাঁকে মাঠের বাইরে রেখেই সুনীলদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে মোহনবাগানকে। এদিন অবশ্য কামিংসদের অনুশীলনে ছুটি দিয়েছিলেন লোবেরা। বুধবার থেকে পুরোদমে বেঙ্গালুরু ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু ম্যাকলারেনদের।
টানা চার ম্যাচে জয় পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে মোহনবাগান। জামশেদপুর এফসিও চার ম্যাচে জিতলেও গোল পার্থক্যে মোহনবাগান জামশেদপুরের থেকে অনেক এগিয়ে।
যদিও রবসন না খেলতে পারলেও খুব যে সমস্যায় পড়বে মোহনবাগান তা নয়। কোচ সের্জিও লোবেরার হাতে একাধিক বিকল্প রয়েছে। রবসন না খেললে লিস্টন কোলাসো রয়েছেন। এমনকী, গত ম্যাচে রবসন না থাকায় কামিংস, ম্যাকলারেন ও পেত্রাতোসকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছেন লোবেরা। রবসনের যা চোটের অবস্থা তাতে এই মুহূর্তে তাঁকে নিয়ে খুব একটা ঝুঁকি নিতে নারাজ লোবেরা। টানা চার ম্যাচে জয় পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে মোহনবাগান। জামশেদপুর এফসিও চার ম্যাচে জিতলেও গোল পার্থক্যে মোহনবাগান জামশেদপুরের থেকে অনেক এগিয়ে। এই মরশুমে বেঙ্গালুরু এফসি চার ম্যাচে সাত পয়েন্ট পেয়ে বেশ কিছুটা পিছনে রয়েছে মোহনবাগানের। গত ম্যাচেই তারা কলকাতায় এসে মহামেডানের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিয়েছে। তবে মহামেডান আর মোহনবাগান ম্যাচের মধ্যে যে বিস্তর তফাত সেটা ভালো করেই জানেন সুনীল ছেত্রীরা।
অন্যদিকে, এফসি গোয়া ম্যাচেও খেলতে পারেননি সল। তাঁর না থাকায় যথেষ্টই প্রভাব পড়েছে দলে। শুধু গোয়া ম্যাচ কেন, তার আগের জামশেদপুর ম্যাচেও স্কোয়াডে ছিলেন না। সেই ম্যাচেও ১-২ গোলে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। চোট কাটিয়ে আপাতত পুরোদমে অনুশীলন করছেন তিনি। শনিবার ঘরের মাঠে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে অস্কার চাইলে ফিরতে পারেন তিনি। আপাতত সল ফিরলে মাঝমাঠের সমস্যা অনেকটাই মিটবে। ইউসেফ এজ্জেজারি প্রথম দুই ম্যাচে গোল করলেও পরের দুই ম্যাচে গোল করতে পারেননি।
