ভুলের পর ভুল। তার খেসারতও দিল রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম পর্বের ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ১-২ গোলে হারল স্পেনের ক্লাব। ঘরের মাঠে এমবাপে গোল করলেন ঠিকই, কিন্তু রিয়াল প্লেয়ারদের ভুলে বায়ার্নের হয়ে গোল করলেন লুইস দিয়াজ ও হ্যারি কেন। অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে স্পোর্টিং লিসবনের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জিতল আর্সেনাল।
লা লিগায় আগের ম্যাচে দুর্বল মায়োরকার কাছে হেরেছিল রিয়াল। ইউসিএলে সান্তিয়াগো বের্নাব্যুতে শুরু থেকেই কিছুটা চাপে ছিল আলভারো আরবেলোয়ার দল। মাঝমাঠে মিস পাসের বহরে ম্যাচের রাশ আলগা হয়ে যায়। শুরুতেই বক্সের মধ্যে রিয়াল ডিফেন্ডারের ভুলে অনায়াসে এগিয়ে যেতে পারত বায়ার্ন। সে যাত্রায় কার্যত ফাঁকা গোলে বল জড়াতে পারেননি সার্জ গানাব্রি। বায়ার্নের দায়োট উপামেকানোও সহজ গোল মিস করেন। অন্যদিকে এমবাপে-ভিনিসিয়াসরা বারবার গতিতে বায়ার্ন রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করছিলেন। কিন্তু দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ৪০ বছরের গোলকিপার ম্যানুয়েল ন্যয়ার। ম্যাচের সেরাও হন তিনি।
৪০ মিনিটে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন লুইস দিয়াজ। কলম্বিয়ার তারকার গোলের আগে মাঝমাঠে মারাত্মক ভুল করে মাদ্রিদ। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের মিস পাস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেনি বায়ার্ন। ৫ মিনিট ফের একই গন্ডগোল। এবার মাঝমাঠে বলের দখল হারান রিয়ালের কারেরাস। সেখান থেকে আক্রমণে উঠে দূরপাল্লার শটে ফের বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেন। ৬০ মিনিটের মাথায় একই ধরনের ভুল করে জার্মানির ক্লাব। কিন্তু ন্যয়ারকে সামনে পেয়েও ভিনি বল বাড়লেন বাইরের দিকের নেটে। ৭৩ মিনিটে এমবাপে ব্যবধান কমালেও আর লাভ হয়নি। ভিনসেন্ট কোম্পানির দল জিতলে ২-১ গোলে। সেমিতে উঠতে হলে দ্বিতীয় লেগে বায়ার্নের ঘরের মাঠে কঠিন পরীক্ষা রিয়ালের জন্য।
অন্যদিকে পর্তুগালে গিয়ে স্পোর্টিং লিসবনকে ১-০ গোলে হারাল আর্সেনাল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করেন কাই হ্যাভার্ৎজ। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত মিকেল আর্তেতার দল। দ্বিতীয় লেগে ড্র করলেই ১৮ বছর পর ইউসিএলের সেমিফাইনালে খেলবে ইংল্যান্ডের ক্লাব।
