দু’টো প্রস্তুতি ম্যাচে মোট আট গোল করেছে দল। গোল স্কোরার আট ভিন্ন ফুটবলার। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) আগে বেশ খোশমেজাজেই থাকার কথা ব্রাজিল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির। তবে শনিবার রাতে মিশরের বিরুদ্ধে ওয়েসলির চোট (Injury) পেয়ে ছিটকে যাওয়া ভাবনায় ফেলছে তাঁকে।
ব্রাজিলের স্কোয়াডে প্রায় সব পজিশনেই একাধিক বিশ্বমানের বিকল্প। ব্যতিক্রম ডিফেন্স। আরও স্পষ্ট করে বললে, সাইড ব্যাক পজিশনে তেমন কোনও বড় নাম নেই কোচ আন্সেলোত্তির হাতে। মিশরের বিরুদ্ধে রাইট ব্যাক হিসাবে তিনি দেখে নিতে চেয়েছিলেন ওয়েসলিকে। কিন্তু ম্যাচ শুরুর মিনিট পনেরোর মধ্যে চোট নিয়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়েন তিনি। মাথায় হাত দিয়ে মাঠের ধারে বসে ছিলেন কিছুক্ষণ। এরপর খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাঁকে। পরিবর্ত হিসাবে ফের দানিলোকেই নামাতে বাধ্য হন আন্সেলোত্তি।
জানা গিয়েছে, ওয়েসলির বাঁ কুঁচকিতে টান লেগেছে। তাই উঠে যেতে বাধ্য হন তিনি। রাতের দিকে ব্রাজিলের তরফে বিশ্বকাপ তেকে ওয়েলসির ছিটকে যাওয়ার খবরটা জানিয়ে দেওয়া হল। তাঁর বদলে স্কোয়াডে নিয়ে আসা হল এডারসনকে। এমনিতেই নেইমার নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে ব্রাজিলে। লিগামেন্টে গ্রেড-২ চোট সত্ত্বেও তাঁকে দলে রেখেছেন আন্সেলোত্তি। দলের সঙ্গে কলম্বিয়া পার্কের বেস ক্যাম্পে এলেও একা অনুশীলন করছেন সাম্বা নক্ষত্র। যা খবর, মরক্কোর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগে তাঁর ফিট হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।
এরমধ্যেই ওয়েসলির চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া আরও বড় চিন্তায় ফেলে দিল ব্রাজিল কোচকে। এদিন শুরুতেই ব্রুনো গুইমারেজের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। তবে দ্রুতই সমতা ফেরান মোস্তাফা জিকো। মিশরের এই মিডফিল্ডারের পিতা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জিকোর ভক্ত হিসেবে তাঁর নামেই ছেলের নামকরণ করেন। সেই জিকোই গোল করলেন পিতার আরাধ্যের দেশের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আটটা বদল করেন আন্সেলোত্তি। তাতে অবশ্য দলের খেলায় প্রভাব পরেনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন এনড্রিক। শেষ পর্যন্ত সেই গোলেই জেতে দল। তবে দল জিতলেও ওয়েসলির ছিটকে যাওয়া উদ্বেগে রাখবে সেলেকাওদের।
