shono
Advertisement

Breaking News

consuming raw onions

ভাতের পাতে রোজ কাঁচা পিঁয়াজ! অ্যালার্জি-মাইগ্রেন ডেকে আনছেন না তো?

কাঁচা পিঁয়াজে মৃদু ‘ব্লাড থিনিং প্রপার্টি’ রয়েছে। তাই যারা নিয়মিত ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তাঁরা কাঁচা পিঁয়াজ খেলে ওষুধ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এ জন্য বিভিন্ন সময় চিকিৎসকেরা নিজেরাই ওষুধ চলাকালীন কাঁচা পিঁয়াজ খেতে বারণ করেন।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 02:43 PM Jun 25, 2026Updated: 02:43 PM Jun 25, 2026

অর্ধেক ফালি কাঁচা পিঁয়াজ (consuming raw onions) না হলে ভাত-রুটির পাত যেন অসম্পূর্ণ বলে মনে হয় অনেকেরই। খাবার গ্রাস মুখে পাঠিয়ে, পিঁয়াজের টুকরোতে কামড় দিলে তবে শান্তি! এ জন্য ভাতের হোটেল বা রেস্তরাঁতেও অনেক সময়েই খাবারের সঙ্গে কাঁচা পিঁয়াজ দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়া চাউমিন-এগরোলেও সরাসরি কাঁচা পিঁয়াজের কুচি দেওয়া হয়। জানেন কি, এই আপাত সাধারণ খাদ্যাভ্যাসটির ফলে বড় রকমের রোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

Advertisement

বাঙালীর খাবারের পাতে নানাভাবে জায়গা করে নেয় কাঁচা পিঁয়াজ।

১. হজমের সমস্যা
কাঁচা পিঁয়াজে ফ্রুক্টান (fructans) নামক এক ধরণের কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা অনেকের পক্ষে হজম করা কঠিন হয়। এর ফলে পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে— বিশেষ করে যারা আইবিএস (IBS)-এ ভুগছেন। পিঁয়াজ হালকা রান্না করে খেলে এই সমস্যা কমে।

২. মুখের দুর্গন্ধ
পিঁয়াজে উচ্চমাত্রায় সালফার থাকে, যা রক্তে মিশে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে আসে। এই কারণে ব্রাশ বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করার পরও দীর্ঘক্ষণ মুখে দুর্গন্ধ থেকে যেতে পারে।

৩. অ্যালার্জি
অনেকের কাঁচা পিঁয়াজে অ্যালার্জি থাকতে পারে। এর ফলে ত্বকে চুলকানি, ঠোঁট বা জিভ ফুলে যাওয়া এবং চোখ দিয়ে জল পড়ার মতো সমস্যা হতে পারে। এমনকী ক্ষেত্রবিশেষে গুরুতর শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

৪. বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স
কাঁচা পিঁয়াজ খাদ্যনালীর নিচের পেশীগুলোকে শিথিল করে দেয়, যার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড সহজে উপরে উঠে আসে। এর কারণে বুকে ও গলায় তীব্র জ্বালাপোড়া বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স হতে পারে, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে খেলে।

৫. মাইগ্রেনের সমস্যা বৃদ্ধি
পিঁয়াজে টাইরামিন (tyramine) নামক উপাদান থাকে। যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে কাঁচা পিঁয়াজে তীব্র মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের আক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

৬. মুখের ভেতরের ক্ষতি
মাড়িতে সেনসিটিভির সমস্যা থাকলে, পিঁয়াজের রসের তীব্রতা তা বাড়িয়ে দেয়। ফলে মাড়িতে জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হয়। এছাড়া কাঁচা পিঁয়াজের টুকরো দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকলে ও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে, ‘ডেন্টাল প্লাক’ তৈরি হয়। ব্যাকটেরিয়ার কলোনি গড়ে ওঠে।

এই সাধারণ খাদ্যাভ্যাসটিই পথ দেখায় হাজারও শারীরিক সমস্যাকে।

৭. ওষুধের কার্যকারিতায় বাধা দেয়
কাঁচা পিঁয়াজে মৃদু ‘ব্লাড থিনিং প্রপার্টি’ রয়েছে। তাই যারা নিয়মিত ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তাঁরা কাঁচা পিঁয়াজ খেলে ওষুধ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এ জন্য বিভিন্ন সময় চিকিৎসকেরা নিজেরাই ওষুধ চলাকালীন কাঁচা পিঁয়াজ খেতে বারণ করেন।

সামান্য কাঁচা পিঁয়াজ পেটে গেলেই যে এই সমস্ত রকমের সমস্যা শুরু হয়ে যাবে, তা নয়। তবে রোজের খাবারে পিঁয়াজের পরিমাণ যেন মাত্রা না ছাড়ায় সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement