shono
Advertisement
hahnemann birth anniversary homeopathy day

হ্যানিম্যানের জন্মদিনে কলকাতায় পালিত বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস, জোর গবেষণা ও শিক্ষায়

গবেষণা, আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি আগামী দিনে আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছাতে পারবে। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটিতে হোমিওপ্যাথির ঐতিহ্য, তার প্রবর্তক হ্যানিম্যানের আদর্শ এবং বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একটি গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
Published By: Pritimoy Roy BurmanPosted: 07:08 PM Apr 12, 2026Updated: 07:08 PM Apr 12, 2026

কলকাতার ভবানীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল আধুনিক হোমিওপ্যাথির জনক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান-এর ২৭১তম জন্মবার্ষিকী ও বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস। জার্মানির মাইসেনে ১৭৫৫ সালে জন্ম হ্যানিম্যানের। তাঁর হাত ধরে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। তিনি প্রচলিত চিকিৎসাপদ্ধতির সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং 'Similia Similibus Curentur'- নীতির ভিত্তিতে হোমিওপ্যাথির সূচনা করেন। তাঁর এই দর্শন আজ বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের আস্থা অর্জন করে চলেছে।

Advertisement

প্রতাপ চন্দ্র মেমোরিয়াল হোমিওপ্যাথি হাসপাতাল অ্যান্ড কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে হোমিওপ্যাথি দিবসের অনুষ্ঠান।

হ্যানিম্যানের জন্মদিন ও বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস উপলক্ষে প্রতাপ চন্দ্র মেমোরিয়াল হোমিওপ্যাথি হাসপাতাল অ্যান্ড কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক এবং প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা।

অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রতাপ চন্দ্র মজুমদারের বংশধর প্রচেতা মজুমদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিওপ্যাথির হোমিওপ্যাথি শিক্ষা বিভাগের প্রধান ডা. রজত চট্টোপাধ্যায়। তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাপদ্ধতির গুরুত্ব, বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এর প্রাসঙ্গিকতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

হোমিওপ্যাথি শুধুমাত্র একটি বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতি নয়, বরং এটি রোগীর সামগ্রিক সুস্থতার উপর গুরুত্ব দেয়। আধুনিক গবেষণা ও প্রযুক্তির সহায়তায় এই চিকিৎসাপদ্ধতিকে আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

সংবর্ধনা জ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক ও দেশের অন্যতম সংগঠক, সমাজ সংস্কারক ডা. সহিদুল ইসলাম, ডা. বি পি দাস, ডা. অনুপম ভট্টাচার্য, ডা. সুরেশ আগরওয়াল, ডা. ফারা ইলাহি প্রমুখ। প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তৃতায় হোমিওপ্যাথির প্রসারে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন এবং সমাজের সকল স্তরে এর সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভূমিকার উপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. চট্টোপাধ্যায় বলেন, গবেষণা, আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি আগামী দিনে আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছাতে পারবে।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটিতে হোমিওপ্যাথির ঐতিহ্য, তার প্রবর্তক হ্যানিম্যানের আদর্শ এবং বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একটি গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement