shono
Advertisement

Breaking News

Zirconium knee replacement

বাংলায় চিকিৎসা বিপ্লব, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ইংল্যান্ডের হাঁটু প্রতিস্থাপন!

হাঁটুর সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে বাংলায়। ফি-মাসে সরকারি হাসপাতালে হাঁটু প্রতিস্থাপনের সংখ্যাই বলে দিচ্ছে তা।
Published By: Sayani SenPosted: 09:15 AM Mar 09, 2026Updated: 09:15 AM Mar 09, 2026

ইংল্যান্ডের প্রযুক্তিতে তৈরি হাঁটু বাংলার সরকারি হাসপাতালে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে হচ্ছে পুরনো হাঁটু প্রতিস্থাপন। কোবাল্ট-ক্রোমিয়ামের ইমপ্লান্টের তুলনায় অনেক বেশি টেকসই নতুন জিরকোনিয়াম হাঁটু। চিকিৎসকরা বলছেন, এই হাঁটু ক্ষয় কম হয়। কমবয়সিদের জন্য বিশেষ করে যাঁদের নিকেলে অ্যালার্জি রয়েছে তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত নতুন 'জিরকোনিয়াম নি রিপ্লেসমেন্ট'।

Advertisement

কী এই জিরকোনিয়াম হাঁটু? মূলত বিশেষ এক ধরনের ধাতু (অক্সিডাইজড জিরকোনিয়াম) দিয়ে তৈরি এই হাঁটু। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই হাঁটু মসৃণ এবং শক্ত। ঘর্ষণ কম হয়। টেকসই অনেক বেশি। ইংল্যান্ডের প্রযুক্তিতে তৈরি এই ইমপ্ল্যান্টই বসছে বাংলার সিংহভাগ মেডিক্যাল কলেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রান্তিক মানুষদের সাধ্যের বাইরে ছিল এই জিরকোনিয়াম নি ইমপ্ল্যান্ট। আর পাঁচটা বেসরকারি হাসপাতালে এই ইমপ্ল্যান্ট বসানোর খরচ ন্যূনতম তিন লক্ষ টাকা। সরকারি হাসপাতালে? সম্পূর্ণ শূন্য।

জিরকোনিয়াম হাঁটু

হাঁটুর সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে বাংলায়। ফি-মাসে সরকারি হাসপাতালে হাঁটু প্রতিস্থাপনের সংখ্যাই বলে দিচ্ছে তা। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের অস্থিশল্য বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. সুনীত হাজরা জানিয়েছেন, ফি-মাসে ত্রিশটি হাঁটু প্রতিস্থাপন হচ্ছে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে সে সংখ্যা এগারো-বারো। অন্যদিকে এস এস কে এম হাসপাতালে মাসে পঁচিশটির উপর হাঁটু প্রতিস্থাপন হচ্ছে। হাঁটু বিকল হয়ে যাওয়ার নেপথ্যে হাড়ের অসুখ অস্টিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস। এছাড়াও দায়ী স্থূলতা বা ওবেসিটি। হাঁটু বদলের আগে দুশ্চিন্তায় ভোগেন অনেকেই। নতুন হাঁটু দিয়ে আগের মতো হাঁটাচলা সম্ভব?

নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের অস্থিশল্য বিভাগের অধ্যাপক ডা. কিরণকুমার মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলেই সমস্যা নেই। জিরকোনিয়াম দিয়ে তৈরি ধাতু হেসে খেলে চলে যাবে ১৫ বছর। কত থাকতে হবে ওজন? পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি উচ্চতা পর্যন্ত ওজন থাকতে হবে ৬৩-৬৪ কেজির মধ্যে। উচ্চতা ছ'ফুটের কাছাকাছি হলে সর্বোচ্চ ওজন থাকা উচিত ৭৩ কেজির মধ্যে। ডা. কিরণকুমার মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, উচ্চতার তুলনায় ওজন ঠিক আছে কি না তা বোঝা যায় এই বডি মাস ইনডেক্সের মাধ্যমে। এই বিএমআইকে ঠিক রাখতে হবে। তবে হাঁটু বদলের পর কিছু নিয়ম মানতে বলছেন চিকিৎসকরা। মাটিতে দীর্ঘক্ষণ বসা বারণ, নিষেধ সিঁড়ি দিয়ে অত্যধিক ওঠা নামা কিংবা দীর্ঘ সময়ব্যাপী একইভাবে বসে থাকা। এছাড়া জীবন চলবে আগেরই মতো।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement