ঘরদোর একদম ঝকঝকে তকতকে। দেওয়ালে রংবাহার। কিন্তু নজর আটকে গেল ওই কোণটায়। ধবধবে দেওয়ালে এ কী! সুইচবোর্ডে কালচে-হলুদ ছোপ। রান্নাঘরের সুইচবোর্ডেও একই দশা। তেলচিটে ভাব। আসলে, বাড়ি সাফ হলেও ওই সুইচবোর্ডের কথা মাথায় থাকে না অনেকেরই। আবার বিদ্যুতের ভয়েও হাত গুটিয়ে নেন কেউ কেউ। জল-সাবান ছোঁয়ালেই তো বিপদ! তাহলে? চিন্তা নেই। ঘরোয়া কিছু ম্যাজিকেই এবার সুইচবোর্ড ফিরবে চেনা ফর্মে।
তবে কোমর বেঁধে নামার আগে অবশ্যই একটা কথা মাথায় রাখুন। সবার আগে বাড়ির মেইন সুইচ বা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করুন। তারপর প্রয়োগ করুন এই পদ্ধতিগুলির যেকোনও একটি।
ফাইল ছবি
বেকিং সোডা
সাদা সুইচবোর্ডে হলদে ছোপ সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। এই জেদি দাগ তুলতে ওস্তাদ বেকিং সোডা। সামান্য জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটা পাতলা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এবার নরম কাপড় বা তুলোয় সেই পেস্ট লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন বোর্ডে। ময়লা আলগা হয়ে আসবে। পরিষ্কার শেষে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিলেই কাজ তামাম!
ভিনিগার
রান্নাঘরের বোর্ডের প্রধান শত্রু তেলের ভাপ। এই তেলচিটে দাগ নিমেষে কাটাবে ভিনিগার। জলের সঙ্গে সামান্য ভিনিগার মিশিয়ে নিন। সেই মিশ্রণে কাপড় ডুবিয়ে ভালো করে নিংড়ে নিতে হবে। যেন এক ফোঁটাও জল না থাকে। এবার আলতো করে মুছে নিন সুইচবোর্ড। খেয়াল রাখবেন, সুইচের খাঁজে যেন কোনওভাবেই তরল ঢুকে না যায়।
ফাইল ছবি
কটন বাড
সুইচের ভেতরের সরু খাঁজগুলোয় কাপড় পৌঁছায় না। সেখানে জমে থাকে কালো ময়লা। এই সমস্যার সমাধান করবে কটন বাড বা কান পরিষ্কারের কাঠি। যে কোনও ক্লিনিং সলিউশনে বাডটি ডুবিয়ে অতিরিক্ত অংশ চিপে নিন। তারপর নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করুন খাঁজগুলো। পুরনো টুথব্রাশও এই কাজে দারুণ সাহায্য করে।
কিছু জরুরি টিপস
জেদি দাগ তুলতে মাঝে মাঝে টুথপেস্টও ব্যবহার করা যেতে পারে। আর মোছার পর কাচের মতো চমক পেতে ব্যবহার করুন মাইক্রোফাইবার কাপড়। এতে কোনও দাগ-ছোপ বা আঁশ লেগে থাকে না। তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন, কোনও তরল ক্লিনার সরাসরি সুইচবোর্ডে স্প্রে করবেন না। কাপড়ে লাগিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে।
